Featured Video Play Iconকলকাতা 

মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে বহাল রাখার জন্য আদালতে প্রথম দিন থেকে আইনি লড়াই যিনি করেছেন , সুপ্রিম কোর্টে রায়ের পর বাংলার জনরবকে তিনি কী বললেন জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দীর্ঘ লড়াই শেষে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বহাল রইল মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন । সংবিধানের মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে সংখ্যালঘু শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলির অধিকার ও সুরক্ষা নিয়ে ছিল এই মামলা । মামলাকারীদের যুক্তি ছিল সংবিধানের ৩০ নং ধারার পরিপন্থী হল মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন । এই সাংবিধানিক প্রশ্নেই মামলাকারীরা হাইকোর্টে জয়ী হয়েছিল । শেষ পর্যন্ত দেশের শীর্ষ আদালতের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে , মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কোনোভাবেই সংবিধানের ৩০ নং ধারাকে লংঘন করেনি । তাই মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে বহাল রাখার পক্ষেই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট । এই প্রেক্ষাপটে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন বহাল রাখার জন্য যে ব্যক্তি প্রথম দিন থেকে আদালতের  আইনি লড়াই চালিয়েছেন তিনি বিশিষ্ট শিক্ষক মুহাম্মদ রফিক বাংলার জনরবকে একান্ত সাক্ষাৎকারটি দিয়েছেন । সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও সাংবাদিক তাজাম্মুল হোসেন

প্রশ্ন : এই জয় নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া ?

মুহাম্মদ রফিক : খুব ভাল লাগছে । আমি কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত এই মামলায়  লড়াই করেছি । আজকে জয়ী হওয়ার পর ভাল লাগছে । এটা আমার কাছে স্মরণীয় দিন ।

প্রশ্ন : সাংবিধানিক প্রশ্নে মামলা , এই বিষয়ে কতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন আপনি ?

মুহাম্মদ রফিক  : অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম ।

প্রশ্ন : মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের সদস্য পদে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত  ব্যক্তিদের সদস্য করা কী উচিত ?

মুহাম্মদ রফিক  : মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের সদস্য পদে মাদ্রাসার অনুরাগীদের সদস্য করলে ভাল হবে ।

প্রশ্ন : আজকের রায়ের পর কী আপনার মনে হচ্ছে না, সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ প্রাসঙ্গিকতা হারাল ?

মুহাম্মদ রফিক : না , তা আমার মনে হচ্ছে না । কারণ , মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন শুধুমাত্র সুপারিশ করবে । নিয়োগ করার অধিকার পরিচালন সমিতির । আর কী কী বললেন মুহাম্মদ রফিক শুনুন ভিডিওতে ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment