কলকাতা 

সমস্যার চূড়ান্ত নিস্পত্তিতে খুশি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুর রউফ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেখ ইবাদুল ইসলাম :  ভারতের সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে ৬ জানুয়ারি ২০২০ দিনটি ঐতিহাসিক দিন হিসাবে চিহ্নিত হবে । ভারতীয় সংবিধানের ৩০ নং ধারা সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ার ও পরিচালনা করার যে অধিকার দিয়েছে সেই অধিকারের উপর মামলা হয় । কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন গঠনকে অসাংবিধানিক বলে রায় দিয়েছিল । সেই রায় খারিজ করে দিয়ে আজ সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকার অনুমোদিত ৬১৪টি মাদ্রাসাকে সংখ্যালঘু শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকেই শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব দিল । অর্থাৎ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন আবার নতুন করে স্বমহিমায় কাজ শুরু করতে পারবে ।

সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রকাশ হওয়ার পর আমরা যোগাযোগ করেছিলাম মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুর রউফের সঙ্গে । তাঁকে প্রশ্ন করা হয় , এই রায়ে আপনি খুশি ? তিনি বলেন , খুশি , অখুশির কিছু নেই । তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলার একটা নিস্পত্তি হল এতেই আমি খুশি । নিয়োগ প্রক্রিয়া কী শুরু করতে চলেছেন ? রায় দেখি । তারপর দফতরের আধিকারিকরা যা বলবেন তা মেনে কাজ শুরু করব । তবে এসএসসি-র সঙ্গেই আমরা নয়া বিজ্ঞপ্তি দিতে পারব বলে বিশ্বাস রাখি । আমার প্রথম কাজ হবে মাদ্রাসায় শূন্যপদগুলি যাতে দ্রূত পূরণ হয় সেটা দেখা । শেষ প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন , আমি তো একজন এক্সিকিউটিভ ক্লার্ক মাত্র ।

আবদুর রউফ চেয়ারম্যান হিসাবে সফল ব্যক্তি । তাঁর সততা , ঐকান্তিকতা , দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবেন না । তিনি প্রশাসক হিসাবেও যথেষ্ট যোগ্যতার পরিচয় রেখেছেন । তাঁর হাত ধরে সার্ভিস কমিশনে শিক্ষক নিয়োগ হলে তা দূনীর্তি মুক্ত হবে বলেই আমাদের ধারনা ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment