কলকাতা 

রাজ্যের অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী সরকারী কর্মীর মর্যাদা দেওয়ার ভাবনা মমতার , কীভাবে হবে এই ভাবনার রূপদান জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মীদের জন্য সুখবর । এবার ওই কর্মীদের স্থায়ী করার ভাবনা মমতা সরকারের৷ সূত্রের খবর,গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মীদের আগামী অর্থবর্ষ থেকে প্রবেশনারি পিরিয়ডে রাখা হবে৷ ওই সময় কোন কর্মী কি রকম কাজ করেছে,তার একটি রিপোর্ট তৈরি হবে৷ অর্থাৎ কাজের নিরিখে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন তারা৷ অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণের জন্য নেওয়া হবে এই পরীক্ষা৷ তবে পরীক্ষায় পাশ করতে না পারলে চিন্তা নেই৷ আরও একবছর প্রবেশনারি পিরিয়ডে থাকার সুযোগও দেওয়া হবে ওই অস্থায়ী কর্মীদের।

পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ৩২২৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতে অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার। এই অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে যে সব কর্মী দু’বছর বা তার বেশি সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন, তাদের আগামী অর্থবর্ষ থেকে প্রবেশনারি পিরিয়ডে রাখা হবে৷ কাজের নিরিখে তাদেরকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে৷ যে সব কর্মী ওই পরীক্ষায় পাশ করতে পারবে তাদের স্থায়ীকরন করা হবে৷

ইতিমধ্যেই এর জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছে মমতা সরকার৷ গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে সহায়ক, নির্মাণ সহায়ক, এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত অস্থায়ী কর্মীদের তালিকা তৈরি হচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী অর্থবর্ষ থেকেই কার্যকর হবে এই প্রক্রিয়া।

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রশাসনিক ব্যবস্থার শীর্ষে আছেন প্রধান ও উপ-প্রধান। এছাড়া প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে একজন করে সচিব থাকেন যিনি পঞ্চায়েতের দৈনিক কাজকর্ম পরিচালনা করেন। তাকে নিয়োগ করেন পঞ্চায়েত অধিকর্তা। এছাড়া থাকেন একজন কর্মসহায়ক বা জব অ্যাসিস্টেন্স। তাকে নিয়োগ করেন প্রধান। তিনি মূখ্যত প্রকল্প সংক্রান্ত কাজকর্ম দেখাশোনা করেন।

এছাড়া পূর্বে প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে যে একজন করে দফাদার ও কয়েকজন চৌকিদার থাকতেন, তাদের বদলে পঞ্চায়েতের সর্বক্ষণের জন্য কর্মী নিয়োগ শুরু হয়েছে। এঁদের নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী’। এছাড়া রয়েছেন কিছু অস্থায়ী কর্মী৷

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment