দেশ 

‘ভারতীয় সংবিধানের ওপর কী বিপদ আসতে চলেছে, সেটা ছাত্র-যুবরা বুঝতে পেরেই এই আইনের বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিএএ আর এনআরসি সরাসরি ভারতীয় মুসলিমদের ওপর যমজ আক্রমণ’ : পি চিদম্বরম

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াতের সমালোচনায় সরব হলেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পি. চিদম্বরম ।ভারতের পদাতিক বাহিনীর প্রধান  কয়েক দিন আগে মন্তব্য করেছিলেন, রাজনৈতিক নেতারা সিএএ-র বিরোধিতা করছেন। এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করে শনিবার প্রবীণ ওই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘ এটা সেনাদের কাজ নয়, রাজনীতিবিদরা কী করবেন সেটা আপনারা ঠিক করবেন না। ঠিক যেমন ভাবে, আপনারা কীভাবে যুদ্ধ করবেন, সেটা বলা আমাদের কাজ নয়। আপনারা বাহিনীর কৌশল অনুসরণ করে যুদ্ধ করেন। আমরা ঠিক তেমন ভাবেই আমাদের কৌশল মেনে রাজনীতি করি।’ এদিন তিরুবনন্তপুরম রাজ ভবনের সামনে কংগ্রেসের ডাকে সিএএ-বিরোধী এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়েছিলো।সেই জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্র সরকারের ভূমিকায় কার্যত ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এখন সেনা প্রধানকেও মুখ খুলতে বলা হচ্ছে। এটা কি সেনা প্রধানের কাজ? এটা লজ্জা! জেনারেল বিপিন রাওয়াতের প্রতি তাঁর আবেদন, “আপনি সেনা প্রধান হিসেবে আপনার কর্তব্য পালন করুন। রাজনীতিবিদদের যেটা কাজ, সেটা ওরা করবে।”

দেশব্যাপী চলা ছাত্র রাজনীতিকে সমর্থন করে প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা এদিন জানান, ‘ভারতীয় সংবিধানের ওপর কী বিপদ আসতে চলেছে, সেটা ছাত্র-যুবরা বুঝতে পেরেই এই আইনের বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিএএ আর এনআরসি সরাসরি ভারতীয় মুসলিমদের ওপর যমজ আক্রমণ।’ তিনি দাবি করেছেন, এই আইন অসাংবিধানিক এবং আমি নিশ্চিত দেশের সুপ্রিম কোর্ট এই আইন খারিজ করবেই।এদিন তাঁর মন্তব্য উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে সংবাদসংস্থা এএনআই। বৃহস্পতিবার জেনারেল বিপিন রাওয়াত অভিযোগ করেছিলেন, কিছু নেতার উস্কানিতে সিএএ-বিরোধী আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে উঠছে।

দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় যোগ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, নেতা মানে নেতৃত্ব দেওয়া। আপনি যখন এগিয়ে যাবেন, সেটা প্রত্যেকে অনুসরণ করবে। কিন্তু নেতা মানে তাঁরা নয়, যাঁরা বিভ্রান্ত করে আপনাকে ভুল পথে চালিত করবে। যেমনটা আমরা অধিকাংশ পড়ুয়াদের সঙ্গে হতে দেখছি। বিরোধীদের থেকেও সে সময় এ বিষয়ে সমালোচনা শুনতে হয়েছিলও সেনা প্রধানকে। হায়দরাবাদের সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়েসি সেদিন বলেছিলেন, নেতা মানে নিজের দফতরের সীমা ঠিক কতটুকু, সে ব্যাপারেও অবহিত থাকা।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment