কলকাতা 

মোস্তাক হোসেনের আর্থিক সাহায্যে পরিচালিত আবাসিক বিদ্যালয়গুলির নজরকাড়া সাফল্য

শেয়ার করুন
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নাজমা ইয়াসমিনঃ শিল্পপতি মোস্তাক হোসেন এককভাবে এরাজ্যে শিক্ষা বিস্তারে যে দান করে চলেছেন তার সঠিক মূল্যায়ন আজও হয়নি। তবে তাঁর এই প্রচার বিমুখ দানের ফলে এ রাজ্যের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সাফল্য চোখে পড়তে শুরু করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের অনেক আগে থেকেই মোস্তাক সাহেব শিক্ষা ক্ষেত্রে দান করে যাচ্ছেন। তাঁর দানে এ রাজ্যের সংখ্যালঘুদের শিক্ষার জন্য স্থাপিত আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি পরিপুষ্ট হয়েছে। এ কথা স্বীকার করতে হবে মোস্তাক সাহেবের এই দান আজ বিফলে যায়নি। আজকে প্রকাশিত উচ্চ-মাধমিক ফলেই তার প্রমাণ মিলেছে। বর্ধমানের মামুন ন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র সরিফুল ইসলাম মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থান লাভ করেছে। তাঁর এই সাফল্য আসলে বাঙালি মুসলিম সমাজের সাফল্য। মামুন স্কুলের পরিচালক কাজী মুহাম্মদ ইয়াসিন বলেই ফেললেন,এই সাফল্যে নেপথ্যে মোস্তাক সাহেবের অবদান স্বীকার করতেই হবে। মোস্তাক  সাহেবের আর্থিক সাহায্যে পরিচালিত আবাসিক স্কুলগুলির সংক্ষিপ্ত ফল তুলে ধরা হল।

নাবাবিয়া মিশনঃ এ বছর এই মিশন থেকে দ্বিতীয় বার উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৭জন। ১৭ জনই প্রথম বিভাগে পাশ করেছে। এর মধ্যে পাঁচ জন ষ্টার পেয়েছে। আইসক্রিম বিক্রেতার ছেলে আরামবাগের শাহবাগের মেহবুব আলম ৪২০ পেয়ে নাবাবিয়া মিশনের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম স্থান পেয়েছে। দ্বিতীয় হয়েছে ফিরোজ শেখ। সে দক্ষিন ২৪ পরগণার এক দুঃস্থ বাড়ির সন্তান।

মওলানা আজাদ অ্যাকাডেমিঃ এটিও মোস্তাক হোসেনের জিডি স্টাডি সার্কেলের অন্তর্গত একটি আবাসিক বিদ্যালয়। এই প্রতিষ্ঠান থেকে এবছর উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল ৭৪জন। ৮৫% নম্বর পেয়ে পাশ করেছে ৬জন,৮০% নম্বর পেয়ে পাশ করেছে ২৯জন,৭৫% নম্বর পেয়ে পাশ করেছে ৪৯ জন,৬০% নম্বর পেয়ে পাশ করেছে ৭৪ জন।স্টার পেয়েছে ৪৯ জন। অ্যাকাডেমির মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে খালিদ লস্কর। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৩৯(৮৭,৮%)। দ্বিতীয় মিজানুর রহমান গাজি। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৩৭(৮৭.৪%)। তৃতীয় ইনতেখাব আনসারি। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৩৫(৮৭%)।

আল-আমিন মিল্লি মিশনঃ আবদুল ওয়াহাব,মুহাম্মদ মনিরুজ্জামানদের উদ্যোগে এই মিশন কাজ শুরু করে। গত বছর থেকে মোস্তাক হোসেনের জিডি স্টাডি সার্কেলের অর্ন্তভুক্ত হয়েছে। এ বছর প্রথম এই মিশন থেকে ৬ জন ছাত্র বিঞ্জান বিভাগে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। এদের মধ্যে ৪জন প্রথম বিভাগে,২জন দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেছে। মিশনের সাধারন সম্পাদক আবদুল ওয়াহাব, চেয়ারম্যান মুহা. মনিরুজ্জামান ও মিশনের প্রধান শিক্ষক আবদুল গাফ্ফার জানিয়েছেন,প্রথম বছর উচ্চ-মাধ্যমিকের এই ফলে তাঁরা খুশি। আগামী দিনে আরও ভাল ফল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।


শেয়ার করুন
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment