দেশ 

ক্যাব আইন বিরোধী আন্দোলনে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল রাজধানী দিল্লির রাজপথ , পুড়ল বাস, চলল ভাঙচুর অভিযোগের তীর জামিয়ার পড়ুয়াদের দিকে , অভিযোগ অস্বীকার

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধী আন্দোলন এবার রাজধানী দিল্লিতেও তীব্র আকার নিল । অসম-ত্রিপুরা-পশ্চিমবাংলা-মনিপুর –মেঘালয়ের পর দিল্লি উত্তপ্ত হওয়ায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে মোদী সরকার অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে গেল । রবিবার বিকেলে পুলিশ-জনতার খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দিল্লির নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি। এদিন একের পর এক বাস ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ধস্তাধস্তির সময় দু’পক্ষেরই কয়েকজন জখম হয়েছেন। গোটা ঘটনায় অভিযোগের আঙুল জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের দিকে। যদিও তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনার জেরে দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দিল্লি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল ১০০-২০০ মানুষ জমায়েত করতে চলেছে। কিন্তু বিক্ষোভ শুরু হতেই দেখা যায় এক হাজারের বেশি লোক তাতে সামিল হয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা একের পর এক বাসে আগুন লাগিয়ে দিতে থাকেন। অবাধে ভাঙচুর চলতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের চারটি  ইঞ্জিন। অভিযোগ দু’টি ইঞ্জিনেও ভাঙচুর করা হয়। আহত হয়েছেন দুই দমকল কর্মী।

জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের তরফ থেকে অবশ্য সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, হিংসাত্মক আন্দোলনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, স্থানীয় বহু মানুষ তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে যোগ দেন। বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, ‘‘আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের বিক্ষোভকে শান্তিপূর্ণ ভাবে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার। পুলিশ এদিন মহিলাদের ওপর নির্মম ভাবে লাঠিচার্জ করে।’’

শুক্রবার থেকেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সরব জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবারও সংসদ যাত্রা শুরু হলে তাদের থামায় দিল্লি পুলিশ। তবে এদিন বিক্ষোভকারীরা পথে নামলে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে যায়।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment