দেশ 

ক্যাব আইন : অসমে কার্ফু প্রত্যাহার করলেও চালু হয়নি ইন্টারনেট , নতুন করে অশান্তি দিল্লি- মেঘালয়ে , নাগরিকদের উত্তর-পূর্ব রাজ্যে যেতে নিষেধ করল আমেরিকা ও ব্রিটেন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : আসুর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অসমের পরিস্থিতি গতকাল রাত থেকে শান্তি ফিরছে । কোনো অশান্তি খবর পাওয়া যায়নি । তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি । মোটের উপর শান্তি থাকার কারণে আজ শনিবার রাজধানী গুয়াহাটিতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে কার্ফু। তবে নিরাপত্তার কারণে ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে।

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে যে ভাবে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে সেই পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে তাদের দেশের নাগরিকদের সতর্কবার্তা দিয়েছে আমেরিকা ও ব্রিটেন। এই মুহূর্তে ভারতের এই রাজ্যগুলোতে খুব প্রয়োজন না হলে যেতে নিষেধও করেছে দুই দেশ। ব্রিটেন যে অ্যাডভাইজরি জারি করেছে, তাতে বলা হয়েছে, সিএবি-র প্রতিবাদে ফুটছে ভারতের কিছু অংশ। হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে অসম ও ত্রিপুরায়। যদি ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে একান্তই যেতে হয়, তা হলে সে দেশের পর্যটকরা যেন গোটা পরিস্থিতির খবর নিয়ে যেন সেখানে যান। শুধু তাই নয়, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশও মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ওই অ্যাডভাইজরিতে। একই রকম অ্যাডভাইজরি জারি করেছে আমেরিকাও। তবে অসম ভ্রমণে তাদের নাগরিকদের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা।

অসম পুলিশের ডিজি ভাস্করজ্যোতি মহন্ত শুক্রবার রাতে জানান, রাজ্যের হিংসা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।  মহন্ত বলেন, “শান্তি ফিরিয়ে আনতে সর্বোত ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছি আমরা। শুক্রবার রাত থেকে নতুন কোনও হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। পুলিশ দিনরাত এক করে কাজ করে যাচ্ছে। খুব কঠিন সময়। তবে সেটাকে বাগে আনতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

তাঁর দাবি, মানুষের উপর জোর করে কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করছে না পুলিশ। সাধারণ মানুষ যাতে বাইরে বেরিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পারে, সে কারণে লাগাম অনেকটাই আলগা করা হয়েছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক করা হবে বলে জানিয়েছেন মহন্ত। পাশাপাশি তাঁর হুঁশিয়ারি, যাঁরা হিংসায় উস্কানি দেবে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অনেককে এই অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অসম ছাড়াও ত্রিপুরা, মেঘালয়েও সিএবি-র বিরুদ্ধে আন্দোলন ছড়িয়ে প়ড়েছে। বাদ যায়নি পশ্চিমবঙ্গও। মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় শুক্রবারেও। দিল্লিতেও জামিয়া-মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ হয় ।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment