কলকাতা 

শুধু সংখ্যালঘু উন্নয়ন নয় , সংখ্যালঘু সমাজ থেকে নেতৃত্ব তুলে নিয়ে এসেছিলেন সিদ্ধার্থশংকর রায় : সরদার আমজাদ আলী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বুলবুল চৌধুরি : সংখ্যালঘু সমাজের উন্নয়নে স্বাধীনোত্তর ভারতে পশ্চিমবাংলায় প্রথম কাজ করেছিলেন সিদ্ধার্থশংকর রায় । তিনি এই বাংলায় ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শ বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে সংখ্যালঘু সমাজের সার্বিক উন্নয়নে দিশা দেখিয়ে ছিলেন । একই সঙ্গে তিনি এই রাজ্যের সংখ্যালঘু সমাজের নতুন নেতৃত্বকে তুলে এনেছিলেন ।  তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে দুজন মুসলিমকে বসিয়েছিলেন । একজন হলেন ডা. মোতাহার হোসেন , অন্যজন ফজলে হক । এবিএগণি খান চৌধুরিকে রাজ্যের বিদ্যুত মন্ত্রী করেছিলেন ,আবদুস সাত্তারকে কৃষিমন্ত্রী করেছিলেন , জয়নাল আবেদিনকে সমবায় মন্ত্রী করেছিলেন । রাজ্য মন্ত্রিসভায় ৬ জন মুসলিমকে গুরুত্বপূর্ণ দফতর দেওয়া হয়েছিল যা আজকের দিনে কল্পনাতীত ।

সিদ্ধার্থশংকর রায় স্মারক বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন সাংসদ ও বিশিষ্ট আইনজীবী সরদার আমজাদ আলী এই মন্তব্য করেন । আজ রবিবার কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাঘরে সিদ্ধার্থশংকর রায়ের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলার জনরব অন লাইন নিউজ পোর্টাল । এই সভায় স্মারক ভাষণ দিতে গিয়ে বর্ষীয়ান আইনজীবী সরদার আমজাদ আলী সিদ্ধার্থশংকর রায় ওরফে মানুদাকে স্মরণ করতে গিয়ে তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । তিনি বলেন , দেশের এক সংকটময় পরিস্থিতিতে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন । কিন্ত কোনো সময় তাঁর নিজের মতাদর্শের সঙ্গে সংঘাত বাধলে তিনি পদত্যাগ করতে দ্বিধা করতেন না । বিধান রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসাবে তিনি আদর্শের প্রশ্নে সংঘাত আসার সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করেছিলেন । তিনি একই সঙ্গে ওই বছর নির্দল প্রার্থী হিসাবে কংগ্রেস প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ।

সরদার আমজাদ আলীর ভাষায় বলতে হয় মানুদা সত্যিকার অর্থে চিত্তরজ্ঞন দাসের যোগ্য উত্তরসূরি ছিলেন । সরদার আমজাদ আলীর ভাষণ চলাকালীন সময়ে পুরো অডিটোরিয়াম নীরব হয়েছিল । মুগ্ধতার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষক সমাজকর্মী তাঁর বক্তব্য মন দিয়ে শোনেন ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment