দেশ 

হায়দ্রবাদের গণধর্ষণ কান্ডে অভিযুক্তরা পুলিশের হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে গুলিতে খতম , দেশজুড়ে চাঞ্চল্য !

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : পুলিশ হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ কান্ডের চার অভিযুক্ত । কিন্ত কী করে পুলিশের হেফাজত পালানোর চেষ্টা করেছিল তা নিয়ে ইতি মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে । কারণ চারজন অভিযুক্ত পুলিশের হেফাজতে ছিল , তাদেরকে জেরা করার জন্য তদন্তকারী দল যখন তাদের কাছে যায় তখনই তারা পালানোর চেষ্টা করে বলে পুলিশের দাবি । তারপরই পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন সাইবরাবাদের পুলিশ কমিনশনার। প্রশ্ন উঠেছে , পুলিশের নিরাপত্তা নিয়েও । বলা হচ্ছে হায়দ্রাবাদের পশু চিকিৎসক ধর্ষণ ও পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর ষড়যন্ত্র । সেই ষড়যন্তের পর্দা ফাঁস করা উচিত ছিল পুলিশে ।

তাছাড়া এই ঘটনাকে সামনে রেখে দেশজুড়ে যেভাবে গণবিক্ষোভ শুরু হয়েছে এমনকি দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান অনশন পর্যন্ত করে চলেছেন । ঠিক এই প্রেক্ষাপটে হঠাৎ পুলিশের হেফাজতে থাকা ধর্ষণে ও খূনে অভিযুক্তকে গুলি করে মারতে হলে কেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই । আরও বেকায়দায় পড়ল তেলেঙ্গানা সরকার।

জন্য চার অভিযুক্তকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। নিয়ে যাওয়া হয় সামসাবাদে ৪৪ নন্বর জাতীয় স়ড়কের কাছে আন্ডার পাসে। ওই জায়গায়তেই ধর্ষিতা চিকিত্সকের দগ্ধ দেহ পাওয়া গিয়েছিল। ঘটনার দিন ঠিক কী ঘটেছিল তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জোগাড় করতেই শুক্রবার ভোররাতে অভিযুক্তদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার সময় সুযোগ বুঝে পালানোর চেষ্টা করে ওই চার জন। বাধ্য হয়ে গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই মৃত্যু হয় ওই চার অভিযুক্তের। সাইবারাবাদ পুলিশ কমিশনার ভিসি সজ্জনা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত আরিফ, নবীন, শিবা ও চেন্নাকেশাভুলু পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছে। ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার পথে সাদনগরে চাতানপল্লিতে থেকে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। ঘটনাটি হয়েছে শুক্রবার রাত তিনটে থেকে ভোর ছ’টার মধ্যে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন হায়দরাবাদের পুলিশ আধিকারিকরা।

গত ২৮ নভেম্বর তেলেঙ্গানায় শামশাবাদের আউটার রিং রোডের আন্ডারপাসের নীচে উদ্ধার হয় ওই চিকিত্সকের পোড়া দেহ। আগের দিন অর্থাত্ ২৭ নভেম্বর হায়দরাবাদ শহর ৫০ কিলোমিটার দূরে শামশাবাদে টোল প্লাজার কাছে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরে আউটার রিং রোডের আন্ডারপাসের কাছে দেহটিতে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

কল্লুরু গ্রামের একটি পশু-হাসপাতালে কাজ করতেন ওই তরুণী চিকিত্সক। তদন্তে পুলিশ জেনেছে, ঘটনার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে প্রথমে গোচিবাওলিতে এক চর্মচিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। নিজের স্কুটারটি শামশাবাদ টোল প্লাজার কাছে রেখে ট্যাক্সি নিয়ে ওই চিকিৎসকের সঙ্গে তিনি দেখা করতে যান। ফিরে এসে দেখেন, স্কুটারের পিছনের চাকাটি পাংচার হয়ে গিয়েছে।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment