কলকাতা 

কলকাতা পুলিশের সাফল্য , চুরি হওয়া হিরের আংটি কয়েক ঘন্টার মধ্যেই উদ্ধার হল সিভিক পুলিশের উপস্থিত বুদ্ধিতে !

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : পারিবারিক অনুষ্ঠানের শেষে গৃহকর্ত্রী দেখেন তাঁর মূল্যবান হিরের আংটি চুরি হয়ে গেছে । সঙ্গে সঙ্গে গড়িয়াহাট থানার দ্বারস্থ হন গৃহকর্ত্রী । কেস নেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে চোর সহ হিরের আংটি উদ্ধার করে পুলিশ । তবে এক্ষেত্রে সিভিক পুলিশের উপস্থিত বুদ্ধিতেই চোর ধরা সহজ হয়েছে । ঘটনার বিবরণে জানা গেছে ,রবিবার ডোভার লেনে অঞ্জলিদেবীর বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অন্যান্যদের মধ্যে এসেছিলেন তাঁরা বাবা সূর্যকান্ত মেহেরাও। বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে তিনি এক পরিচারিকাকেও সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর, অঞ্জলিদেবী দেখেন, তাঁর হিরের আংটিটি পাওয়া যাচ্ছে না।পুলিশ বিষয়টি জানার পর, ওই পরিচারিকা সীমা সর্দারের ঠিকানা জানতে চায়। সে বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য দিতে পারেননি অঞ্জলিদেবী। শুধুমাত্র একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয় পুলিশকে। কিন্তু খতিয়ে দেখা যায়, নম্বরটি ওই পরিচারিকার নয়। কার্তিক সর্দার নামে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর থানা এলাকার এক ব্যক্তির। ওই একটি সূত্র ধরেই তদন্ত এগোতে থাকে। কিন্তু তাতে খুব একটা সুবিধা হচ্ছিল না।

ঘটনাচক্রে জানা যায়, সত্যজিৎ হালদার নামে গড়িয়াহাট থানার এক গ্রিন পুলিশ কর্মীর বাড়ি ওই এলাকায়। সত্যজিৎ স্থানীয় এলাকায় খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু কার্তিক বা সীমা সর্দার নামে কারও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এক তদন্তকারীর কথায়, ‘‘সত্যজিতের তখন মাথায় আসে, মন্দিরবাজার থানা এলাকার কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে অনেকই কলকাতায় পরিচারিকার কাজে যান। তাঁদের মধ্যে কেউ নন তো? এর পর ফের নতুন করে সীমার খোঁজ শুরু হয়।’’

রবিবার রাত ১০টা নাগাদ একটি কলকাতা পুলিশের একটি বিশেষ দল মন্দিরবাজার পৌঁছয়। সূত্র মারফত, বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশির পর শেষ পর্যন্ত সীমার বাড়ি খুঁজে পায় পুলিশ। সীমা ওই আংটিটি একটি পুরনো একশো টাকার নোটের মধ্যে মুড়ে রেখেছিলেন। ওই রাতে কাউকে তিনি আংটি দেয়নি। তাঁকে জেরা করে জানা যায়, ওই এলাকাতে চোরাই মাল কেনার বাজার রয়েছে। সোমবার সকালে সেখানে তিনি তা বিক্রি করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই আংটি-সহ পরিচারিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গড়িয়াহাট থানার এক পুলিশ কর্মীর বক্তব্য, “বারবার সচেতন করা সত্ত্বেও পরিচারিকার বিষয়ে থানায় তথ্য দিতে অনিহা রয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। এ ক্ষেত্রেও তাই রয়েছে।ওই পরিচারিকার কোনও তথ্য থানায় জমা ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আংটিটি উদ্ধার করেছি।” সৌজন্যে ডিজিটাল আনন্দবাজার।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment