কলকাতা 

গার্ডেনরিচে গুলিবিদ্ধ আরএসএস কর্মী , ভাড়াটে-মালিক ও প্রোমোটার যোগ দেখছে পুলিশ , তদন্ত চলছে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : ভাড়াটে –মালিকের বিবাদের জেরে গুলিবিদ্ধ হত হল গার্ডেনরিচের এক বাসিন্দাকে । তাঁর নাম বীরবাহাদুর সিং । ঘটনাটি ঘটেছে গার্ডেনরিচ থানা এলাকার মসজিদ তালাও এলাকায় । বীরবাহাদুরের অবশ্য রাজনৈতিক পরিচিতিও আছে । তিনি আরএসএসের একজন সক্রিয় কর্মী । স্থানীয় নেতাও । ঘটনার বিবরণে জানা গেছে , মেটিয়াবুরুজ থানা এলাকার লিচু বাগানের বাসিন্দা বীরবাহাদুর পেশায় স্থানীয় একটি স্কুলের কম্পিউটার প্রশিক্ষক। তিনি প্রতিদিন সকালে ওই সময়ে হেঁটে বাড়ি থেকে স্কুলে যান। এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়,‘‘ সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ হঠাৎ করেই একটা আওয়াজ হয়। তারপরেই দেখি বীরবাহাদুর পড়ে গিয়েছেন। তাঁর পিঠ থেকে রক্ত বার হচ্ছে।” এসএসকেএম হাসপাতালে বীরবাহাদুর তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, হঠাৎ তিনি দেখেন তাঁর খুব কাছে এক যুবক চলে এসেছে। তারপরেই একটা আওয়াজ হয় এবং পিঠে কিছু বিঁধে যাওয়ার অনুভূতি হয় তাঁর।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।তবে, অস্ত্রোপচার করে গুলি বার করতে হবে। প্রাথমিক তদন্তের পর তদন্তকারীদের ধারণা, বাড়িওয়ালা-ভাড়াটে সংঘাত থেকে এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণও উড়িয়ে দিতে পারেননি পুলিশ আধিকারিকরা।

ঘটনার পরেই গার্ডেনরিচ থানার আধিকারিকরা যেখানে গুলি চলেছে সেখানে পৌঁছন। প্রত্যক্ষদর্শী এবং পরে বীরবাহাদুরের সঙ্গে কথা বলে পুলিশের ধারণা আততায়ী হেঁটে এসেছিল। তদন্তে জানা যায়, বীরবাহাদুর যে বাড়িতে ভাড়া থাকেন তার মালিক ওই বাড়ি বহুতল করার জন্য স্থানীয় এক প্রোমোটারের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। ওই বাড়িতে বীরাবাহাদুর ছাড়া আরও ১৪ জন ভাড়াটে ছিল। কিন্তু তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মালিক এবং প্রোমোটারের দেওয়া প্রস্তাব মেনে বাড়ি ছেড়ে দেন। কিন্তু বীরবাহাদুর এবং আরও একটি পরিবার বাড়ি ছাড়তে রাজি হননি। বীর বাহাদুর পুলিশকে অভিযোগ করেছেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে বাড়িওয়ালা এবং প্রোমোটারের সঙ্গে তাঁর ঝামেলা চলছে। অভিযোগ, ওই প্রোমোটার স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠ। এর আগেও প্রোমোটারের লোকজন তাঁকে মারধর করেছে, হুমকি দিয়েছে, এই অভিযোগ তিনি থানায় করেছিলেন।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment