কলকাতা 

সৌরভ ও সরিফুল গাজীর মৃত্যুতে নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করলো এসআইও

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ তমলুকের শ্রীরামপুর এগ্রিকালচার হাই স্কুলের দুই ছাত্র সৌরভ ও সরিফুল গাজির মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও       দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে মামলা করল ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ইসলামিক অরগানাইজেশন (এসআইও)। আজ মামলা করার সময় কলকাতা হাইকোর্টে উপস্থিত ছিলেন মৃত সৌরভ ও শরিফুলের বাবা। মামলা করার  পর এস.আই.ওর রাজ্য সম্পাদক সেক খালিদ আলি সাংবাদ মাধ্যমকে বলেন “রহস্যজনক দুই ছাত্রের মৃত্যুতে প্রথম থেকেই প্রশাসন যেভাবে অভিযুক্ত অপরাধী দের আড়াল করার চেষ্টা করছে তা খুবই উদ্বেগের বিষয়। দুই পরিবার প্রশাসনের দারস্থ হয়েছে ঠিকই কিন্তু পুলিশ প্রশাসন অপরাধীদের গ্রেফতার করতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সুবিচারের আশায় আমরা পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার  জেলা শাসক অফিসে ডেপুটেশন দিয়েছি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছি কিন্তু তার কোনও ফল পাওয়া যায়নি। তদন্তের নামে একএক করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হচ্ছে।পুলিশ প্রশাসনের যা ভুমিকা তাতে সুবিচারের কোন আশা আমরা দেখতে পাচ্ছিনা, তাই যাতে করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীরা ধরাপড়ে এবং সরিফুল ও সৌরভের পরিবারে সুবিচার পায়” সেজন্যই দুই পরিবারকে নিয়ে হাইর্কোটের শরণাপন্ন হয়েছি।

প্রসঙ্গত, শ্রীরামপুর এগ্রিকালচার হাইস্কুলের হোস্টেলে  চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রথমে শ্রীরামপুর এগ্রিকালচার হোস্টেলে নবম শ্রেণীর ছাত্র শরিফুল গাজির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঠিক একমাস পরেই ওই হোস্টেলেই বন্ধ থাকা অবস্থায় শরিফুলের মৃত্যুর ঘটনায় অন্যতম সাক্ষী সৌরভ গুড়ির দেহ উদ্ধার হয়। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আত্মহত্যা করেছে দুই ছাত্র। কিন্তু তা মানতে নারাজ দুই পড়ুয়ার পরিবার। তাদের দাবি পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে সৌরভ শরিফুলকে। ঘটনার দুই মাস পার হয়ে গেলেও তদন্ত প্রক্রিয়া না এগোনোয় অসন্তুষ্ট মৃতদের পরিবার। তাদের দাবি সেজন্য ন্যাহ্য বিচারের দাবিতে হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছে তারা।আবেদনকারী দের পক্ষে আইনজীবী সামিম আহম্মেদ এই প্রসঙ্গে বলেন, দুই গরিব পরিবারের সাথে আছি। যাতে দুই পরিবার সুবিচার পায় আমি আরো চেষ্টা করবো এবং আমি আশাবাদী প্রকৃত সত্য সামনে আসবে ও অপরাধীরা ধরা পড়বে”।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment