জেলা 

মন্দারমণির সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার বার্তা সাংবাদিকদের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি: সমুদ্র সৈকত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুক পর্যটকেরা এই বার্তা দিতে মন্দারমনি বীচ পরিষ্কার কর্মসূচী পালন করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাংবাদিকরা। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস।আর এই দিনটিকে লক্ষ রেখে তার আগেই পূর্ব মেদিনীপুর রিপোটার্স ফোরামের সাংবাদিকরা, মান্দারমনি কোষ্টাল থানার যৌথ উদ্যোগে রামনগর-২ নম্বর ব্লক প্রশাসনের সহযোগীতায় মান্দারমনি সমুদ্র সৈকতে পালন করা হলো বিশ্ব পরিবেশ দিবস।সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় প্রায় পর্যটক বা সাধারন মানুষেরা পলিথিন বা নোংরা ফেলে দূষন করছে। যাতে সমুদ্র বীচ গুলি স্বচ্ছ সুন্দর ও দূষনমুক্ত রাখা যায়,সেই উদ্দেশ্যে সোমবার সকাল থেকে মান্দারমনি সমুদ্র সৈকতে নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করার কর্মসূচী নেয় জেলার সাংবাদিকরা।এই সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে জেলার সাংবাদিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মন্দারমনি কোস্টাল থানার ওসি রাজকুমার দেবনাথ। ছিলেন রামনগর-২ নম্বর ব্লকের বিডিও প্রীতম সাহাও।সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে পর্যটকদের উদ্দেশ্যে এই বার্তাই দেওয়া হয় যে,সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসে এই এলাকাটিকেও বাড়ির পরিবেশের মতো ভাবুন। যেখানে সেখানে নোংরা আবর্জনা না ফেলে,দূষনমুক্ত সমুদ্র সৈকত যাতে রাখা যায়,সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রয়াস। রামনগর-২ নম্বর ব্লকের বিডিও প্রীতম সাহা বলেন,”পর্যটন কেন্দ্রগুলি পরিষ্কার রাখলে তবেই দূষনমুক্ত বীচে পর্যটকেরা মুক্তবাতাস অনুভব করতে পারবে।” মন্দারমনি কোস্টাল থানার ওসি রাজকুমার দেবনাথ বলেন,”পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনিই নজরদারি চালানো হচ্ছে বীচ গুলিতে।সাংবাদিকদের এই উদ্যোগ আশা করা যায় পর্যটকের মধ্যে প্রভাব পড়বে।”পূর্ব মেদিনীপুর রিপোটার্স ফোরামের সম্পাদক রঞ্জন মহাপাত্র বলেন,”খবরের তাগিদে আমরা প্রায় খবর করি সমুদ্র সৈকত গুলি অপরিচ্ছন্ন থাকে।শুধু খবর করলে হয় না নিজেদের এগিয়ে এসে সচেতনতা করার দরকার আছে। তাই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় পর্যটকেরা সচেতন হলে বীচ দূষনমুক্ত হবে।”পূর্ব মেদিনীপুর রিপোর্টস ফোরামের সভাপতি সুজিত ভৌমিক বলেন,”আমরা চাই দূষণ মুক্ত পরিবেশ।তাই প্রত্যেক মানুষকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্যে এগিয়ে আসতে হবে।”এছাড়া এ দিন উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রিন্ট ও টেলিভিশন মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

মেচেদা প্রেসক্লাবের সম্পাদক জুলফিকার আলি সাংবাদিকদের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে যাতে সাংবাদিকদের তরফে প্রত্যেক বছর এই ধরনের কর্মসূচী নেওয়া হয়, সকল সাংবাদিকদের কাছে এই আবেদন জানান তিনি।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment