দেশ 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিহারে নীতিশ-বিজেপি জোট কী ভেঙে যেতে চলেছে?

শেয়ার করুন
  • 41
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বিজেপি-নীতিশের মধুচন্দ্রিমা কী শেষ পর্যন্ত রণক্ষেত্রে পরিণত হতে চলেছে। উপনির্বাচনে হারের পর এমনিতেই বিজেপি সম্পর্কে বেসুরে কথা বলছিলেন নীতিশ কুমার। নোটবন্দীর ঘোরতর সমর্থক এবার সরাসরি বলে দিলেন নোট বন্দী করে মোদী সরকার সাধারণ মানুষের কোন উপকার করেনি। আসলে বিহারে পর পর কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি-জেডিইউ হেরে যাওয়ার পর নীতিশ কুমার বুঝতে পারছেন মহাজোট ত্যাগ করে তিনি ভুল করেছেন। তাই আস্তে আস্তে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন। রবিবার পাটনায় নীতিশ কুমারের বাড়িতে বিজেপি-জেডিইউ নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আসন রফা সূত্র বের করার উদ্দেশেই এই বৈঠক। জেডিইউ নেতা কেসি ত্যাগী বিজেপি নেতাদের জানিয়ে দেন,নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন,কিন্ত বিহারে বড় দল হল জেডিইউ। অতএব আগামী লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে জেডিইউকে বড় ভাইয়ের মর্যাদা দিতে হবে। সুতরাং বিহারের মোট ৪০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ২৫টি জেডিইউকে ছাড়তে হবে,বিজেপি মাত্র ১৫টি আসন পাবে। এই আসন রফা অবশ্য বিজেপি নেতৃত্ব মানতে রাজি নন। তাঁদের মতে, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে লালুর সঙ্গে জোট করে নীতিশ লড়ে ছিল। তখন বিজেপি এই রাজ্যে একাই ৩১টি আসন পেয়েছিল। তাই জেতা সব আসনগুলি জেডিইউ বিজেপিকে ছাড়তে বাধ্য। কিন্ত এই প্রস্তাব জেডিইউ মানবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিহারে নীতিশ কুমার ও বিজেপির সম্পর্ক ছেদ শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছেন। তবে নীতিশ কুমারের এই অস্থির মতি রাজনীতি শেষ পর্যন্ত মানুষ কতটা সমর্থন করে তা লোকসভা নির্বাচনের ফলেই প্রমাণ পাওয়া যাবে। এদিকে,লোকসভা আসন রফা নিয়ে বিজেপি-জেডিইউ-র মত বিরোধের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বিজেপিকে কটাক্ষ করেছেন।


শেয়ার করুন
  • 41
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment