কলকাতা 

তৃণমূলে গুরুত্ব কমছে শোভনের ,জেলা সভাপতি পদ হারচ্ছেন কি?

শেয়ার করুন
  • 27
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মহেশতলা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী দুলাল দাসের জয়ের মার্জিন যে ৫গুণ বৃদ্ধি পাবে তা তৃণমূল নেতারা আগাম আন্দাজ করতে পারেননি। মহেশতলার এই ফল প্রমাণ করছে এরাজ্যের সংখ্যালঘু ভোট সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের একচ্ছত্র দখলে রয়েছে। এমনকি সিপিএম এবং কংগ্রেসের নির্দিষ্ট সংখ্যালঘু ভোটও এবার তৃণমূলে গেছে। আসলে এরাজ্যে বিজেপির উত্থানের পর  থেকে মুসলিমরা নিরাপত্তার স্বার্থে কংগ্রেস-সিপিএমকে ত্যাগ করে তৃণমূলমুখী হয়েছে। বিজেপি দল যতই সংখ্যালঘু বিরোধী কর্মসূচি নিচ্ছে রাজ্য তথা দেশজুড়ে ততই এরাজ্যে সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের পক্ষে যাচ্ছে। শুধুমাত্র সংখ্যালঘু ভোটের জোরের দলের ভেতরে অন্তঘার্ত করার চেষ্টা করেও তা সফল হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে একথা স্বীকার করতে হবে এক সময়ের কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রের ঘনিষ্ট দুলাল দাসের জনসংযোগ যথেষ্ট প্রশংসনীয়। মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দক্ষতার সঙ্গেই এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন।তাই দুলালবাবুর এই জয় প্রত্যাশিত ছিল।

কিন্ত দলের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে বিশেষ করে জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দুলাল দাস নিজেই তাঁর জামাইকে কটাক্ষ করেন। সাংবাদিকদের সামনে মেয়রকে কটাক্ষ করার সময় পাশে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে মহেশতলায় একবারও জেলা সভাপতি সভা করতে যাননি। জেলা সভাপতি হিসেবে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের কাছে দলের এটা প্রত্যাশা ছিল। কিন্ত নির্বাচন থাকায় বিষয়টি নিয়ে কেউ তেমনভাবে মুখ খোলেননি। নির্বাচন শেষ পর ফল বের হওয়ার দিন থেকে শোভনকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনেও দলের জন্য তাঁকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রচার করতে দেখা যায়নি। সমগ্র জেলা জুড়েই কাজ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট বলে পরিচিত রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তী। শোনা যাচ্ছেে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সাংগঠনিক স্তরে যে পরিবর্তন আনতে চাইছেন। সেই পরিবর্তনের পথ ধরেই দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলা সভাপতি হওয়ার দৌড়ে অনেকটই এগিয়ে শুভাশিষ চক্রবর্তী।


শেয়ার করুন
  • 27
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment