জেলা 

শান্তিনিকেতনের শতবর্ষে একশো গ্রামকে স্বনির্ভর করে তোলার ডাক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

শেয়ার করুন
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ২০২১ সালে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনের একশো বছর পূর্ণ হবে। কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের গুরু দায়িত্ব পালন করতে হবে।সেই গুরু দায়িত্বটি হলএকশো গ্রামকে স্বনির্ভর করে তোলা। আজ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য  হিসেবে প্রথম বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে এই আহ্বান জানান।তিনি কবিগুরুর কর্মস্থলে খানিকটা আবেগ-আপুলত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, বিশ্বকবির বানী আজকের দিনেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।ভাষনের শুরুতেই আধ আধ বাংলা বলতে শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখে বাংলা শুনে অনেকেই চমকে উঠেন। তিনি বলেন,আমি এখানকার অতিথি নয়,আমি এখনকার আচার্য। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যা যা অভাব রয়েছে তার সম্পূর্ণ দায় আমার।প্রসঙ্গত,এদিন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বভারতীতে আসার সময় কিছু মানুষ অভিযোগ করেন,এখানে প্রচন্ড জল সংকট রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ বলতে গিয়ে মোদী  বলেন,এখানে শুনলাম জলের সংকট আছে,আচার্য হিসেবে এর পুরো দায় আমার।কথা দিচ্ছি খুব শীঘ্রই জল সংকট মিটে যাবে। তিনি বলেন,অতিথি হিসেবে নয়,আচার্য হিসেবে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এসে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।

এরপরই প্রধানমন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন,নতুন ভারত গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে। আর তিন বছর পর বিশ্বভারতীর শতবর্ষ পালন করা হবে। বিশ্বভারতীর শতবর্ষকে সামনে রেখে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের শপথ নিতে  হবে যে একশো গ্রামকে তারা স্বনির্ভর করে তুলবে। তবেই কবিগুরুর প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো হবে।এদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,পশ্চিমবাংলার রাজ্যপাল কেশরিনাথ ত্রিপাঠী,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভাষন ছাত্র-ছাত্রী-শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ উপস্থিত বিশিষ্টজনদের হৃদয়কে ছুঁয়ে গেছে।


শেয়ার করুন
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment