কলকাতা 

“যাক বাবা! বাঁচা গেল। কলেজের বাকি অধ্যাপকরা এ বার শান্তিতে পড়াতে পারবেন!” বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা শুনে প্রতিক্রিয়া রত্ন চট্টোপাধ্যায়ের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে মিল্লি আল-আমীন কলেজের অধ্যক্ষার পদ থেকে পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করে কেঁদে ফেলেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় । সেই প্রসঙ্গ টেনে শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় বললেন , “এতদিন রত্না চ্যাটার্জি কেঁদেছে। এ বার ওঁর পালা। এ বার বুঝুক, চোখের জল ফেলা কতটা কষ্টের।”

বুধবার শোভন চট্টোপাধ্যায়কে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ওই বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলে মিল্লি- আল-আমিন কলেজের অধ্যক্ষার পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি৷ বৈশাখী এদিন বলেন, গত ২ দিন ধরে হেনস্থা করা হচ্ছে। আমার কাছে যা রিপোর্ট আছে, তাতে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে হেনস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর উপর নির্দেশ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত বেদনার এবং বিস্ময়কর।আমি সব দোষ মেনে নিতে পারি কিন্তু আমাকে সাম্প্রদায়িক তকমা দেওয়া হলে সেটা মেনে নিতে পারব না। আমি প্রেসিডেন্সিতে লেখাপড়া করা মেয়ে। আমি যাদবপুর থেকে পিএইচডি করেছি।”

অধ্যক্ষার পদ থেকে বৈশাখীর ইস্তফার কথা শুনে রত্না মন্তব্য, “যাক বাবা! বাঁচা গেল। কলেজের বাকি অধ্যাপকরা এ বার শান্তিতে পড়াতে পারবেন!” এর আগেও একাধিকবার স্বামীর ঘনিষ্ট বান্ধবী বৈশাখীর সম্পর্কে কুৎসিত ইঙ্গিত করেছেন রত্না। বৈশাখীর বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি৷ রত্নার কথায় , ফেসবুকে বৈশাখীর পুরনো ছবি ঘাঁটলে দেখা যায়, সরস্বতী প্রতিমাকে পড়ানো সস্তার শাড়ি আর ইমিটেশনের গয়না পরা অবস্থায়। অথচ বর্তমানে কোটি কোটি টাকার গহনা পড়ছেন বৈশাখী। একজন অধ্যাপিকা কত টাকা উপার্জন করছেন, যে কোটি কোটি টাকার গহনা পরে থাকছেন!

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment