কলকাতা 

তৃণমূল বিধায়ক ও নেতাদের জনসংযোগ কর্মসূচিতে এবার বিরোধী দলের কর্মী ও নেতাদের বাড়িতে যাওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : প্রশান্ত কিশোরের দাওয়াই মত এবার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-বিধায়করা বিরোধী দলের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শুনবেন ।

তৃণমূলের জনসংযোগ কর্মসূচিতে বিধানসভা পিছু বিশিষ্টদের তালিকা দিয়েছেটিম প্রশান্ত।দলীয় বিধায়কদের বলা হয়েছে, সেই বিশিষ্টদের পরামর্শ নিয়েই এই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করতে হবে। যেখানে দলের বিধায়ক নেই, সেখানে অন্য স্তরের জনপ্রতিনিধি বা নেতাদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বহু জায়গায় সেই বিশিষ্টদের নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছেন দলের বিধায়কেরা। কারণ বহু ক্ষেত্রেই সেই বিশিষ্টদের তালিকায় রয়েছেন বিরোধী দলের সমর্থক, সক্রিয় কর্মী বা স্থানীয় স্তরের নেতারা। ফলে সেই বিরোধীদের সাক্ষাৎ পেতে চেষ্টা চালাচ্ছেন এই সব কেন্দ্রের বিধায়ক বা অন্য জনপ্রতিনিধিরা। নিজের এলাকার এই রকম বিশিষ্টের দেখা পেতে সিপিএমের এক সভা ভাঙার অপেক্ষা করতে হল গ্রামীণ হাওড়ার এক বিধায়ককে। কারণ তাঁর কেন্দ্রে প্রশান্তের চিহ্নিত ওই বিশিষ্ট এলাকার সক্রিয় সিপিএম নেতা।

জনসংযোগের এই ব্যতিক্রমী পথে ধাক্কা খেয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এক তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর এলাকার সক্রিয় চার সিপিএম কর্মীর সঙ্গে দেখা করেই এই কর্মসূচির জন্য পরামর্শ চাইতে বলা হয়েছে ওই বিধায়ককে। কিন্তু বারবার ফোন করেও তাঁদের সময় পাননি ওই বিধায়ক। একই রকম পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন নদিয়ার দুই বিধায়ক। সদ্য পেরিয়ে আসা পঞ্চায়ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এমন এক বিরোধীই তাঁর এলাকার বিশিষ্ট। এইরকম এক বিজেপি এক সিপিএম সমর্থকের পরামর্শ নিতে হয়েছে নদিয়ার ওই বিধায়ককে।

সবের মধ্যে জনসংযোগের দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করেছেন প্রশান্ত তাঁর সহযোগীরা। প্রত্যেক সপ্তাহে নিজের প্রতিনিধি কলকাতায় পাঠিয়ে পরবর্তী নির্দেশ নিতে বলা হয়েছে তৃণমূল বিধায়কদের।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment