দেশ 

সুপ্রিম কোর্টের এক রায়কে হাতিয়ার করেই ৩৭০ ধারা নিয়ে শীর্ষ আদালতে যাচ্ছেন শেহলা রশিদ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সোমবার রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কাশ্মীরের জন্য নির্ধারিত ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার ঘোষনা করেন । এরপরেই সন্ধ্যায় রাজ্যসভায় কাশ্মীর পূর্ণগঠন বিল পাশ করিয়ে নেন। এরফলে কাশ্মীরকে দুভাগে ভাগ করা হয়েছে যা লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর নামে পরিচিত হবে ।

আর ৩৭০ ধারা নিয়ে  ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ রায় দেয়, ৩৭০ অনুচ্ছেদ আর অস্থায়ী নয়। দীর্ঘ সময় সংবিধানের অংশ হিসেবে থাকায় তা প্রায় স্থায়ী অনুচ্ছেদের মর্যাদা পেয়েছে। এই রায়কে ভিত্তি করেও মামলা করতে চলেছে  প্রাক্তন আইএএস শাহ ফয়সলের তৈরি নতুন রাজনৈতিক দল জম্মু-কাশ্মীর পিপল্‌স মুভমেন্ট । এই দলের নেত্রী শেহলা রশিদ বলেন, ‘‘আমরা এ দিনের রাষ্ট্রপতির নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাব।’’ বস্তুত মোদী সরকারের যুক্তি, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদেই রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তিনি যে কোনও সময় এই অনুচ্ছেদ রদ করে দিতে পারেন। কারণ এই অনুচ্ছেদ অস্থায়ী।

তাই ৩৭০ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা কাজে লাগিয়েই রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক নির্দেশিকা জারি করেছেন। সংবিধানের ৩৬৭ অনুচ্ছেদে অন্য অনুচ্ছেদগুলি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হবে তা বলা হয়। রাষ্ট্রপতির নির্দেশিকায় সেই ৩৬৭ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বলা হয়েছে, ৩৭০ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সংবিধান সভাকে ‘জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা’ বলতে হবে। সরকারের ব্যাখ্যা, জম্মু-কাশ্মীরে এখন বিধানসভা নেই। বিধানসভার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে রয়েছে। তাই রাষ্ট্রপতি ওই নির্দেশিকা জারি করেছেন। একইসঙ্গে রাজ্যসভাতেও প্রস্তাব আনা হয়েছে যে, সংসদ রাষ্ট্রপতির কাছে ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করার সুপারিশ করছে। শেহলার মতে, ‘‘এই পদক্ষেপ সংবিধান নিয়ে ধোঁকাবাজি।”

সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ক্ষমতা কাজে লাগিয়েই ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করার পথে এগোল নরেন্দ্র মোদী সরকার। তবে  কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টে আইনি পরীক্ষার মুখে পড়তে চলেছে।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment