দেশ 

গনপিটুনি বা গরু পাচার কিংবা গেহত্যার নাম করে দেশে ঘটে যাওয়া হিংসাত্মক ঘটনার নেপথ্যে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির বদনাম করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : দেশে গণপিটুনি এবং জোর করে জয় শ্রীরাম ধ্বনি বলা নিয়ে যে অত্যাচার চলছে সে বিষয়ে ইতিমধ্যে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা মুখ খুলেছেন । এমনকি প্রধানমন্ত্রীকেও খোলা চিঠি লিখেছেন । কিন্ত এবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত । তিনি বলেছেন , হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতিকে বদনাম করার জন্য কিছু মানুষ একাজ করে চলেছে । এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র । এর বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সরব হতে হবে । মোহন ভাগবতের এই বক্তব্য সামনে আসার পর স্পষ্ট হয়েছে রামের নামে হুঙ্কার দিয়ে কিংবা জোর করে জয় শ্রীরাম বলাটাকে মেনে নিতে পারছেন আর এসএস প্রধান ।

বৃন্দাবনের বাৎসল্য গ্রামে আয়োজিত সংঘের অখিল ভারতীয় সামাজিক সদ্ভাব সমিতির দু’দিনের সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভাগবত। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন ,আজকাল দেশে ঘটে যাওয়া একের পর হিংসাত্মক ঘটনার পেছনে হিন্দুধর্ম ও সংস্কৃতিকে বদনাম করার ষড়যন্ত্র চলছে। সারাদেশে হিন্দু ধর্ম এবং সংস্কৃতিকে বদনাম করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। কখনো গণপিটুনির ঘটনা ঘটিয়ে সমাজের হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কখনোবা গরু পাচার বা গোহত্যার নামে কেউ পরিকল্পিত ভাবে হিংসা ছড়াচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, বেশ কিছু রাজ্যে এই সব হিংসাত্মক ঘটনা ঘটিয়ে হিন্দু ধর্মকে বদনাম করে ধর্মান্তরিত করার চক্রান্ত চলছে।

তিনি এই প্রেক্ষিতে দেশের বর্তমান অবস্থা দেখে সর্তক থাকার জন্য প্রত্যোক প্রচারক নির্দেশ দিয়েছেন । আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, হিন্দু ধর্ম রক্ষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন মতে, পথে, বা প্রক্রিয়ায় উপাসনা করা মানুষের উচিত একসাথে বসে সমাজ এবং জাতির মধ্যে যে অস্থিরতা, যে ভেদাভেদ তৈরি হয়েছে তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেবার চেষ্টা করা। তিনি মনে করেন এমনটা হলে নিশ্চিত ভাবে সামাজিক স্তরে সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে।

দু’দিনের সম্মেলনে, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখান্ড, বিহার রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব,মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট জম্মু-কাশ্মীর, কর্ণাটক, কেরল, ছত্রিশগড়, হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, ত্রিপুরা ও মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ সহ সমস্ত রাজ্যের প্রতিনিধিরা ছিলেন।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment