কলকাতা 

দিন দুপুরেই বেহালায় খুন বৃদ্ধা , দুস্কৃতিরা লুঠের উদ্দেশ্যে কী খুন করেছে ? তদন্তে পুলিশ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বাড়িতে একা ছিলেন । পুত্রবধূ ছিলেন অফিসে , নাতনি ছিলেন স্কুলে । ঘর ছিল । সেই সুযোগে একা বৃদ্ধাকে খুন করা হল ।বৃহস্পতিবার ঘটনা ঘটেছে বেহালার শিশির বাগানে । প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, খুন  করা হয়েছে ৮০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধাকে।

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশিরবাগানে দোতলা ওই বাড়িতে একাই ছিলেন শুভ্রা ঘোষ দস্তিদার। এ দিন বেলা ১২টা নাগাদ ওই বাড়ির পরিচারিকা বাড়িতে ঢোকেন। সেই সময় তিনি দেখেন,বাড়ির সদর দরজা খোলা।তিনি শুভ্রাদেবীকে বার বার ডাকাডাকির পরেও কোনও জবাব না পেয়ে দোতলায় ওঠেন। সেখানেই ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন শুভ্রাকে।তিনি প্রতিবেশীদের খবর দেন। পুলিশেও খবর দেওয়া হয়। প্রতিবেশীদের দাবি, বৃ্দ্ধার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। একটি গামছাও জড়়ানো রয়েছে গলায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন শুভ্রা। তাঁর ছেলে এবং পুত্রবধূ অফিসে ছিলেন। নাতনি ছিল স্কুলে। রোজই ওই সময় তিনি একাই থাকেন।পরিবারের তরফে পুলিশকে জানানো হয়েছে, নীচের তলায় ঘর লণ্ডভণ্ড। বেশ কিছু মূল্যবান জিনিস খোয়া গিয়েছে বলে পরিবারের তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে। বৃদ্ধার দেহে আঘাতের চিহ্ন এবং পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশের ধারণা খুন করা হয়েছে শুভ্রাকে।

ঘটনাস্থলে পৌঁছন গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিক এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের সন্দেহ লুঠের উদ্দেশ্যেই হানা দিয়েছিল আততায়ীরা। কোনও ভাবে দুষ্কৃতীদের উপস্থিতি টের পেয়ে যান বৃদ্ধা। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বা তিনি হয়তো দুষ্কৃতীদের চিনে ফেলেছিলেন। সেই কারণেই তাঁকে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধ করে খুন করে দুষ্কৃতীরা।

তবে পুলিশ অন্য দিকগুলিও খতিয়ে দেখছে। পুলিশকে বিভ্রান্ত করতেই লুঠ কি না তা-ও দেখা হচ্ছে।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment