কলকাতা 

আস্থা ভোট নিয়ে নাটক জমে উঠেছে কর্ণাটকে ; রাজ্যপালের এক্তিয়ার নিয়ে সাংবিধানিক প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : রাজ্যপাল কী বিধানসভার কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারেন । কিংবা রাজ্যপালকে কী স্পীকার বা মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দিতে পারেন আস্থাভোট কখন হবে ? এই প্রশ্নেই আজ শুক্রবার কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোট নিল না কুমারস্বামী সরকার । প্রশ্ন উঠেছে খোদ সুপ্রিম কোর্ট যখন জনিয়ে দিয়েছে বিধানসভার ক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র অধিকার রয়েছে স্পীকারের সেক্ষেত্রে রাজ্যপাল কেন নির্দেশিকা পাঠাতে গেলেন । আর একে অজুহাত বানিয়ে সরাসরি সাংবিধানিক প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর । তিনি বলেন,আমরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। মূলত দু’টি প্রশ্ন আমাদের। প্রথমত, দলের বিধায়কদের উপর হুইপ জারি করার অধিকার রয়েছে যে কোনও দলের, এই অধিকার কোনও আদালতই কেড়ে নিতে পারে না। দ্বিতীয়ত, বিধানসভায় অধিবেশন চলাকালীন কখন আস্থা ভোট করা হবে, তা নিয়ে রাজ্যপাল কখনও নির্দেশিকা বা সময়সীমা বেঁধে দিতে পারেন না।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিন ভর তো বটেই রাতেও কর্নাটক বিধানসভাতেও চূড়ান্ত নাটক চলে। বিধানসভেই রাত কাটান বিজেপি বিধায়করা। সকালে বিধানসভা চত্বরেই মর্নি‌ং ওয়াক করতেও দেখা যায় তাঁদের। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার অনাস্থার উপর আলোচনা শুরু হয়। মাঝে দুপুরের দিকে অধিবেশন মুলতুবিও করেন। কিন্তু দিনের শেষে আস্থা ভোট হয়নি।

শুক্রবার রাজ্যপাল ফের কুমারস্বামীকে নির্দেশিকা পাঠান, ‘‘শুক্রবারের মধ্যে আস্থা ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করুন।’’ কিন্তু কুমারস্বামী গোড়া থেকেই বলে আসছেন, বিধানসভা বা স্পিকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না রাজ্যপাল। তাই তাঁর নির্দেশ না মেনে এখনও আস্থা ভোট হয়নি। এমনকি, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী রাজ্যপালের চিঠিকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘‘দ্বিতীয় প্রেমপত্রে আঘাত পেয়েছি।’’ পাশাপাশি স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে তিনি মেনে নেবেন বলেও জানিয়েছেন।

অন্য দিকে বিজেপি বিধায়কদের অভিযোগ, আস্থাভোট নিয়ে টালবাহানা করছে কংগ্রেস ও জেডিএস জোট সরকার। গেরুয়া শিবিরের আরও অভিযোগ, আসলে বিদ্রোহী বিধায়কদের ঘরে ফেরানোর জন্য সময় কিনতে চাইছে সরকার পক্ষ।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment