দেশ 

সংসদ ভবন চত্বরে হেমা মালিনীর ঝাড়ু দেওয়াকে সোস্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করলেন ধর্মেন্দ্র

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের অঙ্গ হিসেবে সংসদ ভবনে চত্বরে ঝাড়ু দিয়েছিলেন অভিনেত্রী হেমা ও বিজেপি সাংসদ হেমা মালিনী ।চোখে সানগ্লাস দিয়ে পরিষ্কার জায়গায় ঝাড়ু চালানো নিয়ে তীব্র সমালোনার মুখে পড়েন তিনি। সাধারণ মানুষ তো বটেই বিরোধী শিবিরের অনেক নেতাও তাঁকে কটাক্ষ করেন। বাড়িতে ঝাড়ু ধরা প্র্যাকটিস করে তবেই ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তবে হেমা নিজে এ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

এদিকে আজ সোস্যাল মিডিয়ায় হেমা মালিনীর ঝাড়ু দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছেন তাঁর স্বামী ধর্মেন্দ্রই । তিনি সোস্যাল মিডিয়ায় বলেছেন,  সিনেমার পর্দা ছাড়া বাস্তবে কখনও ঝাড়ু ধরেননি হেমা।

৮৩ বছরের ধর্মেন্দ্র টুইটারে যথেষ্ট সক্রিয়। সম্প্রতি সেখানেই তাঁকে চেপে ধরেন অনুরাগীরা। জানতে চান, হেমা মালিনী কখনও ঝাড়ু ধরেছেন কি না। জবাবে ধর্মেন্দ্র লেখেন, ‘ধরেছেন বইকি। তবে সিনেমার পর্দায়। ওঁকে দেখে আমারও আনাড়ি মনে হয়েছিল।’

তবে স্ত্রী ঝাড়ু ধরতে না জানলেও, তিনি ভালই ঝাঁট দিতে পারেন বলে দাবি করেন ধর্মেন্দ্র। তিনি জানান, ‘ছোটবেলায় আমি কিন্তু বাড়ির কাজে মাকে সাহায্য করতাম। ঝাঁট দেওয়ায় তো রীতিমতো পটু ছিলাম। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে ভালবাসি আমি।’’

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এ ভাবে সত্যটা তুলে ধরায় অনেকেই ধর্মেন্দ্রর প্রশংসা করেছেন। তাঁর ওই টুইটটি লাইক করেছেন বহু মানুষ। সেটি রিটুইটও করেছেন অনেকে। তবে ব্যঙ্গ করলেও, হেমার এই উদ্যোগের প্রশংসাও করেন ধর্মেন্দ্র। পরিচ্ছন্ন ভারত গড়ে তুলতে সকলকে আহ্বান জানান তিনি।

এ বছর মহাত্মা গাঁধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে সংসদভবন চত্বরে স্বচ্ছ ভারত অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্পিকার। সেই কারণেই গত শনিবার অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে নিয়ে সংসদ ভবন চত্বর ঝাড়ু দিতে শুরু করেন হেমা।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment