কলকাতা 

সব্যসাচীর পর মেয়র কে ? তাপসে আপত্তি ! মেয়র পদের দাবিদার একাধিক কাউন্সিলার , অস্বস্তিতে তৃণমূল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  সব্যসাচীর পর কে হবেন বিধাননগরের মেয়র ? তা নিয়ে গতকাল থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে । ডেপুটি মেয়র তাপস চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি তৃণমূল কাউন্সিলারদের একটা বিরুপ মনোভাব রয়েছে । এমনও প্রশ্ন উঠছে তাপস কেন ? দলের প্রথম দিন থেকে যারা রয়েছেন তাদের কেন মেয়র করা হবে না ! তাপস অভিষেক ঘনিষ্ঠ বলেই কী এটা করা হচ্ছে ? এই রকম প্রশ্ন ঘুরছে বিধাননগরে । তার চেয়ে বড় কথা সল্টলেকের কোনো কাউন্সিলারকে না করে যদি গোপালপুরের কোনো কাউন্সিলারকে ওই পদে বসানো হয় তাহলে তা যে সল্টলেকবাসীরা আগামী দিনে মেনে নেবে না তা বলাই বাহুল্য ।

তাই সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার ব্যবস্থা হলেও পরবর্তী মেয়র পদে তাপসবাবুকে মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেরই অমত মঙ্গলবার আরও জোরদার হয়েছে। প্রকাশ্যে মেয়র হতে চাওয়ার কথাও বলছেন একাধিক মেয়র পারিষদ। বিধাননগর পুরনিগমের চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা চক্রবর্তী এক সময় সল্টলেক পুরসভার চেয়ারপার্সন ছিলেন। তিনি সোমবারই জানিয়েছেন, তাঁর মেয়র হওয়ার বাসনা আছে। মঙ্গলবার সেই তালিকায় নিজের নাম যুক্ত করলেন মেয়র পারিষদ দেবাশিস জানা। তাঁর বক্তব্য, ‘‘ব্যক্তি তাপসের ক্ষেত্রে আপত্তি রয়েছে। দল সিদ্ধান্ত নিলেও প্রতিবাদ জানাব। বিগত দিনে সল্টলেক, রাজারহাট-গোপালপুরে সিপিএমের অত্যাচারের কথা মনে পড়ছে। দল চাইলে আমিও মেয়র হতে পারি।’’

শুধু এই দু’জনেই নয়। তাপসবাবুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রাজারহাট-গোপালপুরের এক কাউন্সিলর এবং এক জন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আর এক কাউন্সিলরের নামও হাওয়ায় ঘুরছে। তবে এঁদের কেউই মুখে কিছু বলেননি।

এ দিকে, মেয়র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট নাম সামনে না রেখে কাউন্সিলরদের উপরেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চাইছেন বলে দলের একটি সূত্রের খবর।

এদিকে , মেয়র পদ নিয়ে যাতে কোনো সমস্যা তৈরি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব । তবে এ কথা সত্য সল্টলেকের মধ্যে এখনও প্রশ্নাতীত জনপ্রিয়তা রয়েছে সব্যসাচী দত্তের । তাই তৃণমূলকে যদি বিধাননগর পুরনিগম ধরে রাখতে হয় তাহলে খুব সাবধানে পা ফেলতে হবে । তা না হলে উল্টে যেতে পারে পাশার দান ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment