কলকাতা 

ফিরহাদের চালেই কী ব্যাকফুটে সব্যসাচী ; অনাস্থা প্রস্তাবে সব কাউন্সিলারের সমর্থন পেল তৃণমূল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : শাসক দল তৃণমূলের চালে বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে চলে গেল বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত । আজ দলের নির্দেশে বিধাননগরের ডেপুটি মেয়র তাপস চট্টোপাধ্যায় অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন চেয়ারম্যান কৃষ্ণা চক্রবর্তীর অফিসে । সেই অনাস্থা প্রস্তাবে ৩৫ জন কাউন্সিলার স্বাক্ষর করেছেন । সুতরাং হিসাব মতই সব্যসাচী দত্তের সঙ্গে কেউ নেই ।

তবে মেয়র সব্যসাচী বলেছেন অনাস্থার কোনও চিঠি তিনি এখনও পাননি । একই সঙ্গে তিনি এও বলেন চিঠি পেলেও যে ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্ন নেই, তিনি যে ভোটাভুটির অপেক্ষাতেই থাকবেন, তা-ও এ দিন স্পষ্ট করে দিলেন সব্যসাচী।

বিধাননগর পুর নিগমে মোট আসন ৪১। সাড়ে চার বছর আগের পুর নির্বাচনে ৩৭টি আসনে জিতেছিল তৃণমূল। ২টি গিয়েছিল কংগ্রেসের ঝুলিতে, ২টি পেয়েছিল বামেরা। পরে ১ কংগ্রেস ও ১ বাম কাউন্সিলর তৃণমূলে নাম লেখান। ফলে তৃণমূলের আসন বেড়ে হয় ৩৯। ক্ষমতায় থাকার জন্য অবশ্য ২১টি আসন থাকলেই হয়।

এই অনাস্থা প্রস্তাব প্রসঙ্গে কৃষ্ণা চক্রবর্তী এ দিন জানান, আগামী ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে বোর্ড মিটিং ডাকা হবে। সেখানে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে এবং তার উপরে ভোটাভুটি হবে। অধিকাংশ কাউন্সিলর যদি সব্যসাচী দত্তর বিরুদ্ধে ভোট দেন, তা হলে তাঁর মেয়র পদ চলে যাবে এবং দল যাঁকে নতুন করে দায়িত্ব দেবে, তিনিই নতুন মেয়র হবেন।

৩৫ জন কাউন্সিলার তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন । তারপরও  সব্যসাচী এ দিনও আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলেছেন, ‘‘অনাস্থার কোনও চিঠি আমি এখনও পাইনি। আগে পাই, তার পরে এ বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে।’’ একই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেছেন যে, ‘‘অনাস্থা যদি আনা হয়, তা হলে তো ভোটাভুটি হবে। আর ভোটাভুটিটা হবে গোপন ব্যালটে। সেটা হোক, তা হলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা কোন দিকে রয়েছে।’’

যদি অনাস্থায় তিনি হেরে যান, তা হলে বিরোধী দলের কাউন্সিলর হিসেবেই কাজ করবেন— মঙ্গলবার প্রথমে এই রকম মন্তব্যই করেছিলেন সব্যসাচী। পরে অবশ্য সে মন্তব্য তিনি সংশোধন করে নেন। বলেন অনাস্থায় হেরে গেলে সাধারণ কাউন্সিলর হিসেবে কাজ করবেন।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment