কলকাতা 

খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে তোলাবাজির মামলা দায়ের হাইকোর্টে , চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দাখিলের নির্দেশ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : কাটমানি ইস্যুতে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও কাটমানি ইস্যুতে অশান্তি হচ্ছে । এমনকি মঙ্গলবার সকালেই কাটমানি ইস্যুতে মন্ত্রী সাধন পান্ডের বিরুদ্ধে পোষ্টার পড়েছে শহর কলকাতায় । এবার আর পোষ্টার নয় , খোদ রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়েছে ।

মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে সব পক্ষকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা পেশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক। এদিন মামলার শুনানিতে মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী উদয় ঝা বলেন সন্দীপ আগরওয়ালের সঙ্গে তার স্ত্রীর বনিবনা হচ্ছিল না দীর্ঘদিন৷ তারই প্রেক্ষিতে সন্দীপকে বিধাননগর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুভাষ বোসের দফতরে ডাকা হয়। তাকে বলা হয় ৩০ লক্ষ টাকা দিতে হবে।

নতুবা এনডিপিএস আইনে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হবে বলে ভয়ও দেখানো হয় বলে অভিযোগ। সন্দীপ বাবুর আরও অভিযোগ এই নিয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে ওই ব্যবসায়ী মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ওনাকে কুড়ি লক্ষ টাকার প্রমিসরি নোটে সই করিয়ে নেয়৷

এরপর সন্দীপবাবু এবং আরো এক ব্যবসায়ী পঙ্কজ আগরওয়াল এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। মামলাকারীদের আইনজীবীর দাবি এই ঘটনায় জড়িত রয়েছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও৷ পুলিশ এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্তসহায়কের মধ্যে কথোপকথনের রেকর্ড রয়েছে তাদের কাছে৷ প্রয়োজনে সেগুলো আদালতে পেশ করতে পারেন বলেও জানানো হয়েছে মামলাকারীদের তরফে৷

যদিও রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন যে দুজন লোক এই মামলা দায়ের করেছেন তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। কিশোর বাবু আরো বলেন যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজনের সঙ্গে সন্দীপবাবু স্ত্রীর সম্পর্ক আছে৷ তিনি আরো বলেন কোনও অভিযুক্ত তদন্তকারী সংস্থা ঠিক করে দিতে পারেন না৷

এরপর বিচারপতি বসাক বলেন মামলাকারীদের ক্ষেত্রে যারা মামলা করছেন তারা তদন্তকারী সংস্থা বেছে নিতেই পারেন৷ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পক্ষের আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্ত বলেন সন্দীপের স্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় বাবুকে কাকু বলে সম্বোধন করেন। তখন বিচারপতি বলেন ওনার বিরুদ্ধে পুলিশের সঙ্গে মিলে তোলাবাজির টাকা চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সব পক্ষের বক্তব্য শুনে সব পক্ষকেই হলমনামা পেশের নির্দেশ দেয় আদালত৷

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment