জেলা 

‘এটা পাকিস্তান নয়, এটা ভারতবর্ষ। এখানে ফতোয়া দিয়ে কোনও লাভ নেই।’ তৃণমূল সাংসদ নুসরাতের বিয়ে প্রসঙ্গে দেওবন্দের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরির প্রতিক্রিয়া

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহানের বিয়ে নিয়ে দেওবন্দের আপত্তির পরেই মুখ খুললেন বিজেপি নেত্রী তথা মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরি । সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরি রায়গঞ্জে বলেন, ‘ধর্মাচারণ সবার সাংবিধানিক অধিকার। ওনার যা মনে হয়েছে, সেটা বলেছেন। এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু যাঁরা নুসরাতকে ফতোয়া দিচ্ছেন, তাঁদের বুঝতে হবে ফতোয়া বন্ধ করার সময় এসেছে। যিনি সংসদে দাঁড়িয়ে সংবিধান মেনে শপথ নিচ্ছেন, তাঁকে ফতোয়া দেওয়ার জন্য যা ব্যবস্থা নেওয়ার, উপযুক্ত জায়গা থেকে নিশ্চয়ই নেওয়া হবে।’ এর আগে একই ভাবে নুসরতের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাধ্বী প্রজ্ঞা।

ইমাম মুফতি কাসেম বলেছেন, “ইসলাম কোনও অমুসলিম ছেলেদের বিয়ে করার অধিকার মুসলিম মহিলাদের দেয়নি। সেটা নুসরত করেছেন। শুধু তাই নয় বিয়ের পরে হিন্দু ধর্মের রীতি মেনে সিঁদুর-মঙ্গলসূত্র পরে ইসলামকে অসম্মান করেছেন।” একই সঙ্গে শপথ পাঠের সময়ে নুসরতের মুখে বন্দেমাতরম স্লোগান নিয়েও সরব হয়েছেন ইমাম মুফতি। তিনি বলেছেন, “ইসলাম ধর্মে বন্দেমাতরম বলা যায় না। সাংসদে শপথের সময়ে সেটাই বলেছেন নুসরত। বিষয়টি ইসলাম বিরুদ্ধে। এর বেশি আর কিছু বলব না।”

এ বার রায়গঞ্জ থেকে ভোটে জিতে কেন্দ্রীয় নারী এবং শিশুকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন দেবশ্রী। নুসরাতের শপথ নিয়ে ধর্মীয় ব্যাখা দিয়ে অস্থিরতা জারি করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা পাকিস্তান নয়, এটা ভারতবর্ষ। এখানে ফতোয়া দিয়ে কোনও লাভ নেই।’

এই পরিস্থিতিতে, সাধ্বী প্রজ্ঞা বলেছেন, ‘একজন মুসলিম মহিলা যদি হিন্দু পুরুষকে বিয়ে করে টিপ, মঙ্গলসূত্র পরে তাহলে তা ইসলামে হারাম। অথচ অনেক সময় মুসলিমরাও হিন্দু মেয়েদের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। তখন যদি সেই হিন্দু মেয়েদের জোর করে বোরখা পরানো হয়, তাহলে তা হারাম নয়।’

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment