কলকাতা 

রাজ্যে সংখ্যালঘুরাই মারছে, আর সংখ্যালঘুরাই মরছে। এর পিছনে রয়েছে তৃণমূলের হাত ; এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে হবে সংখ্যালঘু সমাজকে। তা না হলে তৃণমূলের নোংরা রাজনীতির জাঁতাকলে তাঁদের শেষ হয়ে যেতে হবে : দিলীপ ঘোষ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সংখ্যালঘু সমাজের মধ্যে প্রশ্নটা ছিল রাজ্যে সংখ্যালঘুরা মারছে , মরছে সংখ্যালঘুরা । সেই বামেদের আমল থেকেই এই পরম্পরা চলে আসছে । তখন কেউ এ নিয়ে প্রশ্ন করলে বলা হত মুসলিমরা সাম্প্রদায়িক । কিন্ত এখন খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি মুসলিমদের মনের ক্ষোভকে বাইরে প্রকাশ করে দিলেন ।

তাঁর মতে, রাজ্যে সংখ্যালঘুরাই মারছে, আর সংখ্যালঘুরাই মরছে। এর পিছনে রয়েছে তৃণমূলের হাত।  তিনি এদিন স্পষ্ট বলেন , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলে সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে।

রবিবার বিজেপির রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি এদিন বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে হবে সংখ্যালঘু সমাজকে। তা না হলে তৃণমূলের নোংরা রাজনীতির জাঁতাকলে তাঁদের শেষ হয়ে যেতে হবে। এবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে তিনি ধর্মীয় তাসও খেলে দিলেন। বিজেপির লক্ষ্য যে শুধু রাজ্যের হিন্দু ভোট নয়, রাজ্যের মুসলিম ভোটও তাদের লক্ষ্য, তাঁর এই কথাতেই স্পষ্ট করলেন দিলীপ ঘোষ।


তিনি এদিন উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় হিংসার ঘটনার পাশাপাশি রাজ্যের পরিস্থিতি বিচার করে সিবিআই তদন্ত দাবি করলেন। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের বড়ে হিসেবে ব্যবহার করে রাজ্যের শাসক দল। তাদেরকে ঘুঁটি করে ভোটের কাজে লাগাচ্ছে। হিংসায় তাঁদেরকেই এগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ভাটপাড়ার পর বাঁকুড়ার পাত্রসায়র উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বাঁকুড়ায় পুলিশ গুলিতে জখম হয়েছেন এক ছাত্র ও তাদের দলের দুই কর্মী। রাজ্যের জনগণ এই সরকারের উপর থেকে তাদের বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন। এ জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি বলেন, দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো আচরণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পর্যন্ত সামলাতে পারছেন না।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment