জেলা 

বিজেপির সংসদীয় প্রতিনিধি দল চলে যাওয়ার পরেই আবার অশান্ত ভাটপাড়া-কাঁকিনাড়া ; সাধারন মানুষের মূল ক্ষোভ পুলিশের উপর ; কেন এই পরিস্থিতি জানতে চান ? ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সকাল থেকে ভাটপাড়া , কাঁকিনাড়া এলাকা শান্ত ছিল । সকালের দিকে হঠাৎ এসে হাজির হয় বাম-কংগ্রেস পরিষদীয় দল । তাঁদেরকে দেখে আবার বিক্ষোভ শুরু হয় । এরপরেই এসে পৌছায় বিজেপির সংসদীয় দল । ভাটপাড়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একটি তিন সাংসদের দল গঠন করেছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তাঁরা আজ, শনিবার ভাটপাড়া-সহ ব্যারাকপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন । ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন সাংসদ এস এস অহলুওয়ালিয়া, সত্যপাল সিংহ ও বিডি রাম।

প্রথমেই তাঁরা নিহত রামবাবু সাউয়ের বাড়িতে যান। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।  এর পর ধর্মবীরের পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন তাঁরা। এলাকায় অশান্তির জন্য পুলিশ প্রশাসনকেই দায়ী করেন অহলুওয়ালিয়া।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “রামবাবু, ধর্মবীর কোনও আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। পুলিশ ওঁদের গুলি করে মারে।” এর পরই তাঁর প্রশ্ন, “পুলিশ দাবি করছে তারা শূন্যে গুলি চালিয়েছে। যদি তারা শূন্যে গুলি চালিয়ে থাকে তা হলে মানুষের শরীরে লাগল কী ভাবে? ওঁরা কি তা হলে হাওয়ায় ভাসছিল? গোটা পরিস্থিতির জন্য তৃণমূল ও পুলিশ দায়ী।” পুলিশকে নিয়েই তৃণমূল হামলা চালাচ্ছে বলেই দাবি করেন অহলুওয়ালিয়া। কার প্ররোচনায় পুলিশ গুলি চালাল, এই অধিকার কে দিল পুলিশকে সেটা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেই জানান বিজেপি সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বিজেপির সংসদীয় দল ফিরে যাওয়ার পরই পুলিশ-জনতার দফায় দফায় সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাটপাড়া। কাঁকিনাড়ার কাছারি রোডে টহল দিচ্ছিল পুলিশ। তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকাবাসীরা। তার পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সে সময় এক বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসেন খোদ পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা।

মূলত পুলিশের বিরুদ্ধেই জনরোষ স্পষ্ট। পুলিশ দেখলেই ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন এলাকাবাসীরা। বার বারই তাঁরা অভিযোগ করছেন, ভাটপাড়া-কাঁকিনাড়া এলাকায় অশান্তির পিছনে পুলিশের মদত রয়েছে। শুক্রবারেও দেখা গিয়েছে শোক মিছিলের সময় পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এ দিকে, শুক্রবার রাতেই ভাটপাড়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানে যান মনোজ বর্মা। গভীর রাত পর্যন্ত ভাটপাড়া-কাঁকিনাড়ার বিভিন্ন এলাকা হেঁটে ঘুরে দেখেন। এর পরই রাতে তিনি অ্যাসিসট্যান্ট কমিশনার এবং  ভাটপাড়ার ওসি-র সঙ্গে এক দফা বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, গণ্ডগোলের পিছনে থাকা সেই অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার জন্য ভটাপাড়া-সহ পার্শ্ববর্তী থানার আধিকারিকদের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বহিরাগতদেরও চিহ্নিত করার কথা বলেন কমিশনার।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment