জেলা প্রচ্ছদ 

ভোট কেন্দ্র থেকে প্রিসাইডিং অফিসারকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় সরব শিক্ষক সমাজ

শেয়ার করুন
  • 9
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্কঃ হাইকো্র্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে দাঁড়িয়ে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েও শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।সাংবিধানিক সংস্থা হওয়া সত্ত্বে ভোটারদেরই নিরাপত্তা দিতে পারেনি কমিশন। সমগ্র রাজ্য জুড়ে ভোটের দিন লুম্ফেন রাজ চলেছে। রাজ্যের অধিকাংশ বুথে শাসক দলের মদদে এই ভোট লুঠ করা হয়েছে। এসব দেখেও নির্বাচন কমিশন নিরব ছিল। কিন্ত এবার রাজ্য নির্বাচন  কমিশন বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রশ্নের মুখোমুখি। খোদ ভোট কেন্দ্র থেকে প্রিসাইডিং অফিসারকে তুলে নিয়ে গিয়ে রায়গঞ্জ স্টেশন কয়েক কিলোমিটার দূরে খুন করে লাশ ফেলে দিয়ে চলে যায় দুস্কৃতিরা। উত্তরদিনাজপুরের বিখ্যাত মাদ্রাসা রাহাতপুর হাই মাদ্রাসার ইংরেজির শিক্ষক রাজকুমার রায়ের এই খুনকে ঘিরে রাজ্যের শিক্ষক সমাজের চূড়ান্ত অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সোস্যাল মিডিয়ায় আজ সকাল থেকেই সরব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করেছে। ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমানের আবেগ মোহিত আবেদন বাংলার কোনায় কোনায় পৌছে গেছে।সোস্যাল মিডিয়ায় এখন একটাই দাবি উঠেছে কার নিদে্র্শে পুলিশকে জানানো সত্ত্বে পুলিশ কেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়নি। কেন ভোট কর্মীর নিরাপত্তা দিতে কমিশন ব্যর্থ,কেন হাইকোর্ট নিদের্শ দেওয়া সত্ত্বে কমিশন যখন তা মানছে না তাতে কেন প্রধানবিচারপতি হস্তক্ষেপ করছেন না?মানুষের জীবনের চেয়ে কী সাংবিধানিক সংস্থার মূল্য বেশি।

উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসকের অফিসের সামনে শিক্ষকরা আজ বিক্ষোভ দেখিয়েছে,রাজকুমারের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী তাদের প্রত্যেককে খুজে বের করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বাংলার শিক্ষক সমাজ।প্রতিটি নির্বাচনে  শিক্ষকদের ভোটকর্মী হিসেবে কাজে লাগানো হয়,ঠিকই কিন্ত তাদেরকে ন্যুনতম সম্মান প্রদর্শন করা হয় না বলে অভিযোগ। রাজকুমারের রায়ের মৃত্যুর ঘটনায় প্রমাণ করছে এরাজ্যের নির্বাচন কমিশন আসলে ঠুটো জগন্নাথ ছাড়া আর কিছুই নয়। ক্ষতিপূরণের গল্প বলা হচ্ছে কিন্ত রাজকুমারবাবুর স্ত্রীর স্বামীকে নির্বাচন কমিশন ফিরিয়ে দিতে পারবে? রাজকুমারের ছেলেমেয়েদের বাবা কী ফিরিয়ে  দিতে পারবেন কমিশনার একে সিংহ? সামান্য আত্মসম্মানবোধ থাকলে নির্বাচন কমিশনার ভোটের দিন ১৮ জনের মৃত্যু এবং ভোটকর্মী রাজকুমার বাবুর মৃত্যুর দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করতেন। রাজ্যজুড়ে শিক্ষক সমাজ এখন নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে সোস্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছে। শিক্ষক সমাজের এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বাংলার জনরব তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরল। এতে যা বলা হয়েছে তা সবটাই শিক্ষক সমাজের দাবি।


শেয়ার করুন
  • 9
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment