প্রচ্ছদ 

পঞ্চায়েতের পুনর্নির্বাচনেও এড়ানো গেল না রক্তপাত, বুথের মধ্যেই বন্দুক কাঁধে দাপিয়ে বেড়ালো বহিরাগতরা

শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পঞ্চায়েতের পুনর্নির্বাচনেও এড়ানো গেল না অশান্তি। সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ঝরল রক্ত। মালদহর রতুয়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বন্দুক কাঁধে দুষ্কৃতীদের দাপাদাপি, বোমাবাজির ঘটনা ঘটল। এর পরই ১, ২, ১১ ও ১২ নম্বর বুথে ছাপ্পা ভোট দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। প্রতিরোধ করায় ভোটারদের মারধর করা হল। মালদহের বাহারালের বাখরায় পুলিশের গলায় হাঁসুয়া ধরে তুলে নিয়ে যাওয়া হল ব্যালটবাক্স। পরে স্থানীয় আমবাগানে ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে গিয়ে দেদার ছাপ্পা ভোট দিতে থাকে শাসক দলের কর্মীরা। পুলিশ গিয়ে ব্যালটবাক্স উদ্ধার করে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ভোটারদের পাশে দাঁড় করিয়ে ভোট দিতে দেখা গেল অন্যজনকে। ঝাড়খন্ড থেকে নিয়ে আসা শাসকদলের দুষ্কৃতীরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও ফল হয়নি বলে দাবি স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের। তাই তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন উত্তর মালদহের সাংসদ মৌসম নুর। যদিও রতুয়ার কোথাও সন্ত্রাস বা ছাপ্পা ভোট হয়নি বলে দাবি করেছে তৃণমূল। চাঁচলের ২৬ বুুথে পুুুনর্নির্বাচন হলেও একটি বুুুথে আতঙ্ককে কোনও ভোটারই বুুথমুখো হননি। তবে জেলা পুুুুলিশের এক কর্তার দাবি, ‘ আমাদের কাছে এখনও কোনও অভিযোগ নেই। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভোট চলাকালীনই গোয়ালপখরে এক নির্দল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। আবার রায়গঞ্জে প্রিসাইডিং অফিসারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনায় পুলিশের সামনেই ভোটকর্মীদের হাতে মার খেলেন মহকুমা শাসক টিএন শেরপা। প্রিসাইডিং অফিসারকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করার প্রতিবাদে মহকুমা শাসকের প্রতি ক্ষুব্ধ হন ভোটকর্মীরা। যদিও হামলাকারীরা ভোটকর্মী  নন বলে নবান্নেত রফে জানানো হয়েছে।


শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment