কলকাতা 

লালবাজার অভিযানের শুরুতে শেষ হয়ে গেল বিজেপির আন্দোলন ; কলকাতা পুলিশের কৌশলের কাছে হার মানল গেরুয়া শিবির

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বিজেপির হম্বি-তম্বি সার । গালভার লালবাজার অভিযানের ডাক দিয়েছিল রাজ্য বিজেপি । লোকসভা ভোটের পর বিজেপির এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাজো সাজো রব দেখা যায় লালবাজারে । পুলিশ ানেক বেশি সর্তক ছিল । তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তৈরি ছিল । কিন্ত লালবাজার অভিযান শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে যে বিজেপি তা স্থগিত করে দেবে তা বুঝতে পারেননি লালবাজারে কর্তারা । আসলে মিছিল শুরু হওয়ার পর লালবাজারে দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় ফিয়ার্স লেনের কাছে ব্যারিকেড করে পথ আটকায় পুলিশ । প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ব্যারিকেডের কাছে যাওয়ার আগেই জল কামান থেকে জল ছুড়তে থাকে পুলিশ , অন্যদিকে ক্যাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে থাকে । আর এতেই বিজেপির নেতারা কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে পড়ে । ফলে অভিযান ছেড়ে যেদিকে পারে সেদিকেই ছুটে চলে যায় । এর কিছুক্ষণ অভিযান স্থগিত করে দেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ । এদিকে , বিজেপি মহিলা মোর্চার কয়েক জন সদস্য লালবাজারের কাছে গিয়ে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে দেয় , তাদেরকে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ গ্রেফতার করে নেয় ।

এরপর বিজেপি নেতারা সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ও বৌবাজার ক্রেসিং কাছে অবস্থানে বসে যান । এদিনে লালবাজার অভিযানের নেতৃত্ব দেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় , দিলীপ ঘোষ , রাহুল সিনহা , মুকুল রায় , লকেট চ্যাটার্জি , এসএস আহওয়ালিয়া , রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় , সায়ন্তন বসু প্রমুখ । এদিনে বিজেপি নেতারা অভিযোগ করেন বাংলায় গণতন্ত্র বিপন্ন ।

উল্লেখ্য, সন্দেশখালির ঘটনা এবং রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে বুধবার লালবাজার অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি । এদিন বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে পুলিশের তৈরি করা ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা ঢুকতে চেষ্টা করলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। মিছিলের গতি প্রতিহত করতে পুলিশ প্রথমে জলকামান, পরে কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মোড়েই আটকে দেওয়া হয় ওই মিছিলকে। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এর পরই পুলিশ মিছিলে উপর জলকামান দাগা শুরু করে পুলিশ।

এ দিন সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে অভিযান শুরু করে বিজেপি। এই অভিযান ঘিরে গন্ডগোলের আশঙ্কা আগেই ছিল। প্রশাসনও প্রস্তুত ছিল। তাই মিছিলে যে সব রাস্তা দিয়ে যাবে, সেই সব জায়গায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে রেখেছিল রাজ্য প্রশাসন।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে জায়গায় জায়গায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ও বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়। লালবাজারের সামনে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। নজরদারি চালাতে ড্রোনের সাহায্যও নেওয়া হয়।

অভিযান শেষে রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন ম মমতার সরকার আর বেশি দিন নেই ।

 

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment