কলকাতা 

সন্দেশখালি নিয়ে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের দফায় দফায় বৈঠক ; চাপে রাজ্য সরকার

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : পশ্চিমবাংলার সন্দেশখালিতে বিজেপি কর্মীর খুন হওয়াকে কেন্দ্র করে সোমবার রাজধানী দিল্লির প্রধানমন্ত্রী দফতর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দফতরে তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত । রাজধানীর অলিন্দে সারা দিনের আলোচনার বিষয় ছিল পশ্চিমবাংলা নিয়ে কোন অবস্থান নেবেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ।

এদিনে দিল্লিতে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবাংলার রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী । তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এক সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি । প্রদানমন্ত্রী সঙ্গে রাজ্যপাল প্রায় ৪০ মিনিট বৈঠক করেন । এরপরেই রাজ্যপাল চলে যান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে । সেখানে প্রায় ২০ মিনিট বৈঠক হয় । বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের রাজ্যপাল বলেন , তিনি যা বলার সবটাই বলেছেন ।

 প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সোমবার রাজ্যপালের যে বৈঠক হল, তা পূর্বনির্ধারিতই ছিল। তবে সন্দেশখালি কাণ্ডের প্রেক্ষিতে সে বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ রিপোর্ট নিতে পারেন বাংলার রাজ্যপালের কাছ থেকেরবিবারই এমন সম্ভাবনার কথা ভাসতে শুরু করে।

বৈঠক শেষ হওয়ার পরে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, মোদী এবং কেশরীনাথের মধ্যে সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে। বৈঠক সেরে বেরিয়ে কেশরীনাথ বলেছেন, ‘‘মমতা যা বলছেন, বলুন। আমি যা বলার প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি।’’

দিন সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও একটি বৈঠক ডেকেছিলেন। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল তো বটেই, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানসহ মন্ত্রকের অনেক পদস্থ কর্তাই সে বৈঠকে হাজির ছিলেন। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। আলোচনায় সন্দেশখালি কাণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নির্বাচন পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গও উঠেছে বলে মন্ত্রক সূত্রের খবর। বাংলার পরিস্থিতির দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সতর্ক নজর রাখছে।

এদিকে বসিরহাটের সন্দেশখালিতে আলাদা করে কেন্দ্রীয় গেয়োন্দা এজেন্সী আজ এলাকায় যায় । মনে করা হচ্ছে তারা এ বিষয়ে একটি রিপোর্ট কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র দফতরে পাঠাবেন ।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment