কলকাতা 

দলীয় কর্মী খুনে ক্ষুদ্ধ বিজেপি নেতৃত্ব ; কালই রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদী-শাহ , রাজ্যের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র ?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : উত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালির ন্যাজাটে বিজেপির তিন কর্মীর মৃত্যুকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তো বটেই এমনকি জাতীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য পড়েছে । ইতিমধ্যে বিজেপি দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ-র কাছে অভিযোগ করা হয়েছে । আবার সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রাজ্যের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠির বৈঠক হওয়ার কথা । মনে করা হচ্ছে এই বৈঠকে সন্দেশখালি নিয়ে রিপোর্ট  দিতে পারেন রাজ্যপাল ।

আগামী কালের বৈঠকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই দিল্লি উড়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল। অন্য দিকে, ইতিমধ্যেই সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষে শনিবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। গুলিতে নিহত হন বিজেপির তিন জন এবং তৃণমূলের এক কর্মী। ওই ঘটনা নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আজ রবিবার এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন বিজেপি এবং তৃণমূল উভয় রাজনৈতিক দলের দু’টি প্রতিনিধি দল। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ফের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে পারেন বিজেপি নেতৃত্ব।

রাজভবন সূত্রে খবর, রবিবার দিল্লিতে উড়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর একটি বৈঠক রয়েছে। এই বৈঠক আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। কিন্তু শনিবার সন্দেশখালির ঘটনার পর এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেই রাজনৈতিক শিবিরের পর্যবেক্ষণ। রাজ্যপালের কাছে বসিরহাটের পরিস্থিতি জানতে চাইতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যপালও সন্দেশখালিতে এই ঘটনার রিপোর্ট দিতে পারেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। রাজভবন সূত্রে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি নিশ্চয়ই জানাবেন।

অন্য দিকে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপালের কাছে সন্দেশখালির তথ্য এবং রিপোর্ট রয়েছে। ওই সূত্রের আরও দাবি, রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকেও ওই বৈঠকে ডেকে নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

সন্দেশখালির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ খুবই ক্ষুদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে । বিজেপি দলও এর একটা হেস্তনেস্ত করতে চাইছে । প্র্রয়োজন হলে ৩৫৫ ধারা জারি করে সন্ত্রাস কবলিত এলাকাগুলিকে কেন্দ্রের শাসনে আনতে পারেন । সংবিধানে এই সংস্থান আছে । মনে করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের বৈঠকের পরেই হয়তো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে ।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment