জেলা 

সন্দেশখালির ন্যাজাটে সুপারি কিলার দিয়ে তৃণমূল কর্মীকে খুন করিয়েছে বিজেপি দাবি জ্যেতিপ্রিয়-র, তৃণমূলের দুস্কৃতিদের হাতে খুন বিজেপি কর্মী দাবি সায়ন্তনের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বসিরহাটের সন্দেশখালির ন্যাজাটে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে তিন জন খুন হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে । বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন । তবে সন্দেশখালিতে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে তাদের দলের চারজন খুন হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ঘটনায় তাদের দলের আরও পাঁচজন আহত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তৃণমূলের তরফ থেকে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে, বিজেপি কর্মীদের আক্রমণে তাদের দলের একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে বসিরহাটে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এলাকার মানুষ জানিয়েছেন, সকাল থেকেই বসিরহাট জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার জেরে বিজেপি নেতা মুকুল রায় বিজেপি রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং দলের অন্য়তম সম্পাদক রাহুল সিনহা ঘটনাস্থলে যান। এই হিংসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুকুল রায়।

তৃণমূল বিজেপির মধ্যে গুলি বিনিময়ে গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। গুলির সঙ্গেই মুহূর্মুহূ বোমাবাজিও চলতে থাকে। এর ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। জানা যাচ্ছে, ঘটনাস্থলে যাবে বিজেপির প্রতিনিধি দল। এদিনের ঘটনার কথা সবিস্তারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। বিষয়ে ইতিমধ্যে রাজ্যের কাছে রিপোর্টও তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

তৃণমূল কংগ্রেসের উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘটনার জন্য বিজেপিকেই দায়ী করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “হঠাৎই ১০১২ জন বিজেপি কর্মী হাটগাছি এলাকায় দলের এক সভায় ঢুকে পড়ে। আমাদের দলের কর্মী ২৬ বছরের কায়ুম আব্দুল মোল্লাকে কাছ থেকে গুলি করা হয়। তারপর তাকে টানতে টানতে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাঁর শরীরে অনেকবার আঘাত করা হয়।জেলা তৃণমূলের সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আরও দাবি করেন , সুপারি কিলার দিয়ে কায়ূমকে খুন করেছে বিজেপি । অন্যদিকে সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি বলেন , বিষয়টি আর বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই , এটা সাম্প্রদায়িক আকার নিয়েছে । লকেটের এই বক্তব্যে আর বড় ধরনের হাঙ্গামার আশংকা করছে প্রশাসন ।

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment