জেলা 

সন্ত্রাস কবলিত সন্দেশখালিতে বিজেপির প্রতিনিধি দল ; কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দাবি ; জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নেতৃত্বে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : উত্তর ২৪ পরগণার বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত সন্দেশখালিতে তৃণমূল বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।  এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ন্যাজাটে যান বিজেপির নেতা মুকুল রায় এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ ছাড়াও বিজেপির অন্যান্য নেতারা। বিজেপির দাবি, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূলের হাত। অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা, সন্দেশখালির রাস্তায় নামল কমব্যাট ফোর্স।

প্রসঙ্গত, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে গতকাল রণক্ষেত্র হয় সন্দেশখালি। শনিবার রাতের এই সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। বিজেপি দাবি করেছে, তাদের চার কর্মীকে গুলি করে খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতিরা। অপরদিকে তৃণমূলের দাবি, তাদের কর্মী কায়ুম মোল্লা এই সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন। এই মুহূর্তে এলাকায় টহল দিচ্ছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।

ঘটনাস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিরা গিয়ে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন । পরে বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেন , সমগ্র বাংলা জুড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বদলার রাজনীতি কায়েম করেছে । বেছে বেছে বিজেপি-র কর্মী সমর্থকদের খুন করা হয়েছে । ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে অবহিত করা হয়েছে । রাজ্যে অশান্তি বন্ধে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দাবি করেছে বিজেপি । অবশ্য রাজ্য জুড়ে চলা অশান্তি এবং সন্দেশখালির ঘটনায় জরুরি ভিত্তি রিপোর্ট তলব করেছে স্বরাষ্ট্র দফতর ।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় তৃণমূল কর্মী কায়ূম মোল্লাকে গুলি করে খুন করা হয়েছে বলে জেলা তৃণমূলের সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক দাবি করেছেন। আজ তৃণমূলের প্রতিনিধিরা কায়ূম মোল্লার বাড়িতে যান। মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment