দেশ 

প্রবল সমালোচনার মুখে হিন্দি নিয়ে পিছু হঠল কেন্দ্র ; শিক্ষানীতির সংশোধিত খসড়ায় কী লেখা হল ? জানতে চান ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর দেশে নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করতে চলেছে বিজেপি সরকার । সেই মত একটি খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ করা হয় । যাতে বলা হয় সব রাজ্যে অষ্টম শ্রেনি পর্যন্ত হিন্দি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে । আর এনিয়ে শুরু হয়ে যায় জোর তরজা । দক্ষিণের রাজ্যগুলি স্পষ।ট জানিয়ে দেয় তারা কোনোভাবে চিাপিয়ে হিন্দি ভাষা মেনে নেবে না । বরং এটা জোর করে চাপাতে গেলে তার খেসারত কেন্দ্রকে দিতে হবে বলে ডিএমকে নেতা স্ট্যালিন জানিয়ে দেন । তাই শেষ পর্যন্ত কেন্দ্র পিছু হঠল ।

সোমবার সকালে শিক্ষা নীতির খসড়া সংশোধন করে কেন্দ্রীয় সরকার। সংশোধিত নয়া খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘‘ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালীনই তিনটি ভাষার মধ্যে একটি বা তার বেশি ভাষার পরিবর্তন করতে পারবে পড়ুয়ারা।’’ এ ব্যাপারে পড়ুয়ারা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাহায্য নিতে পারবে বলেও জানানো হয় সংশোধিত খসড়ায়। যে ভাষায় স্কুলে পড়ার সুবিধা, সেটাই বেছে নেওয়া যাবে বলে সংশোধনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ককে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব সঁপেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরেই গত শনিবার কে কস্তুরীরঙ্গনের নেতৃত্বাধীন কমিটি জাতীয় খসড়া শিক্ষা নীতি পেশ করে। সেখানে তিন ভাষার ফর্মুলার প্রস্তাব দেওয়া হয়। যার মধ্যে মাতৃভাষা, ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক করা হয় হিন্দি।

এই জাতীয় খসড়া শিক্ষানীতি নিয়ে দেশের সর্বত্র, বিশেষ করে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাতে শামিল হয় এনডিএ-র শরিক এডিএমকে এবং পিএমকেও। অ-হিন্দিভাষী রাজ্যগুলির উপর জোর করে হিন্দি চাপিয়ে দিলে দেশের বহুত্ববাদী চিন্তাধারায় আঘাত লাগবে বলে জানায় তারা। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী  নির্মলা সীতারামন এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।জোর করে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেন তাঁরা। তার পরই এ দিন সকালে খসড়া সংশোধন করা হয়।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment