দেশ 

ত্রিপুরায় বিজেপির জয়ের অন্যতম কান্ডারি সুদীপ বর্মনকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দিল বিপ্লব দেব ; ভাঙনের মুখ কী বিজেপি ?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মতবিরোধ চলছিল । মাঝে শোনা যাচ্ছিল বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আদিবাসীরা প্রতিবাদে নামবে । ত্রিপুরা রাজ্যে আদিবাসী ভোট বড় ফ্যাক্টর । সেই ভোটেই ভাগ বসতে পারে । এমন আশংকা ছিল । কিন্ত লোকসভা ভোটের পর এভাবে আবার নতুন করে বিপ্লব দেব সরকারকে সমস্যায় পড়তে হবে তা আঁচ করা যায়নি । কিন্ত দেখা গেল লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার কয়েক দিন পরেই মন্ত্রীসভা থেকে সুদীপ রায় বর্মণকে বের করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব । আর এতে বড় ভাঙনে আশংকা করছে রাজনৈতিক মহল । মনে রাখতে হবে সুদীপ রায় বর্মণের হাত ধরেই ত্রিপুরাতে বিজেপির উত্থান ঘটেছে । সেই সুদীপকেই মন্ত্রীসভা সরিয়ে দিয়ে বিপ্লব যে সংকট তৈরি করল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই ।

সুদীপ রায় বর্মণের হাতে স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারি মন্ত্রক দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি শিল্প ও বাণিজ্য, পূর্ত, বিজ্ঞান এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রকের দায়িত্ব সামাল দিচ্ছিলেন। মন্ত্রীসভার এই ধরণের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। সুদীপ রায়বর্মণের অধীনে থাকা পূর্ত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রক এখন থেকে সামাল দেবেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্পল্ব। বাকি দুই মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেব বর্মার কাঁধে।

এমন ঘটনার ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল। দলের মধ্যেই ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন সুদীপ রায়বর্মণ। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব আগেই জানিয়েছিলেন বিভীষণদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। শুক্রবার রাত থেকে যা কার্যকর হওয়া শুরু হয়েছে।

কংগ্রেসেই ফিরতে চলেছেন সুদীপবাবু। পোড়খাওয়া রাজনীতিক এর আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছিলেন। রাজ্যে প্রধান বিরোধী হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। পরে বিজেপিতে যান। তারপর ক্ষমতার পরিবর্তনে ২০ বছরের টানা বাম শাসন শেষ হয় ত্রিপুরা। মূলত সুদীপ রায়বর্মণই ছিলেন সেই রাজনৈতিক পালাবদলের অন্যতম কাণ্ডারি। তাঁর পিতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমীর রঞ্জন বর্মণ ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment