জেলা 

‘‘ভোটের ফলাফল বেরনোর আগে অনেকেই বলেছিলেন পচা আলুকে সরিয়ে রাখতে হয়। তখন মনে হয়েছিল আমি-ই হয়তো সেই পচা আলু। তবে ফলের পরে দেখলাম, পচা আলুই উতরে দিল। টাটকা আলু হড়কে গেল।’’ তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ সব্যসাচীর

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচনের আগে দলনেত্রী বলেছিলেন ভোটের ফলের নিরিখে বিধায়ক , কাউন্সিলার ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের বিচার করা হবে । কিন্ত ভোট মিটতেই মঙ্গলবার মন্ত্রিসভায় রদবদল ঘটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুর দায়িত্ব বাড়িয়েছেন তিনি।  অথচ লোকসভা নির্বাচনের ফলে দেখা গিয়েছে, সুজিতের এলাকায় তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে। তারপরেও তাঁর প্রমোশন হওয়ায়

ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত। তিনি এদিন বারাসত আদালতে এক মামলার সাক্ষী দিতে এসে দলীয় নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ভোটের ফলাফল বেরনোর আগে অনেকেই বলেছিলেন পচা আলুকে সরিয়ে রাখতে হয়। তখন মনে হয়েছিল আমি-ই হয়তো সেই পচা আলু। তবে ফলের পরে দেখলাম, পচা আলুই উতরে দিল। টাটকা আলু হড়কে গেল।’’

বিজেপির কর্মসমিতির সদস্য মুকুল রায়কে বাড়িতে ডেকে লুচি-আলুরদম খাওয়ানো নিয়ে একসময় দলের রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তা নিয়ে সব্যসাচী বলেন, ‘‘পচা আলু দিয়ে তরকারি করলে তার স্বাদ বোধহয় ভাল হয়। যাঁরা তখন এমন কথা বলেছিলেন, তাঁরা হয়তো ব্যাপারটা বুঝতে পারেননি।’’

ভোটের ফলাফলের নিরিখে সব্যসাচীর এলাকায় কাকলি ভাল ভোটই পেয়েছেন। এগিয়ে ছিলেন রাজারহাট-নিউটাউন থেকে। এ নিয়ে সব্যসাচীর কটাক্ষ, ‘‘২৩ হাজার ৬০০ লিড দিয়েছি আমি। অথচ সাড়ে ১৮ হাজারে  হেরেছেন একজন।  নিজের ওয়ার্ডেও হেরেছেন।  তার পরেও প্রোমোশন হয়েছে তাঁর। উনি আবার বারাসাত লোকসভার কাণ্ডারী ছিলেন। যিনি নিজের ওয়ার্ডে জিততে পারেন না, তিনি সারা বাংলার নেতা হন, এটাই এখন ট্রেন্ড। আগামী দিনে সারা ভারতের নেতা হবেন উনি।’’

দলের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি বলেন, ‘‘মানুষের ভোট, মানুষের রায়। শুধু সাইরেন বাজিয়ে ঘুরে বেড়ালে যা হওয়ার, তাই হয়।’’

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment