কলকাতা প্রচ্ছদ 

ভাঙড় কান্ডে শাসক দলের গেম প্লান, বলছেন মুকুল-অধীর-পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকী

শেয়ার করুন
  • 15
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নাজমা ইয়াসমিনঃ ভাঙড় কান্ড আসলে শাসক দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গেম-প্লান বলে একযোগে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়,কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরি এবং ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা সর্বজন শ্রদ্ধেয় হযরত ইব্রাহিম সিদ্দিকী।এই তিন বর্ষীয়ান নাগরিক আলাদা আলাদা বিবৃতি দিয়ে ভাঙড়ের ঘটনায় মমতাকেই নিশানা করেছেন।বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেছেন,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বলেছিলেন,ভাঙড়ের মানুষ পাওয়ার গ্রীড না চাইলে সেখানে পাওয়ার গ্রীড হবে না। আবার তিনি কয়েক মাসের মধ্যেই পাল্টে খেয়ে বললেন ওখানে পাওয়ার গ্রীড হবেইআলোচনার মাধ্যমে সমাধান নয়,তিনি আরাবুলদের মত তৃণমূলের তাজা ছেলেদের পাঠিয়ে মানুষকে দমন করতে পাঠালেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার সভায় নির্দল প্রার্থীর মিছিলে আরাবুল বাহিনী যে হামলা চালিয়েছে তার নি্র্দেশ তৃণনেত্রীর কাছ থেকে এসেছিল বলে মুকুল রায়ের অভিযোগ। তিনি আরও বলেন,ভোটের সময় নিজের ভাবমূ্র্তি স্বচ্ছ রাখার জন্য পরিকল্পনা করে আরাবুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে,ভোট মিটে যাওয়ার পর আরাবুল আবার বহাল তবিয়তে ফিরে আসবে।

একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেল প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরির মুখে। তিনি বলেছেন আরাবুলের গ্রেফতার আইওয়াশ মাত্র।ভোটের সময় মানুষের মন পাওয়ার জন্য এটা করা হয়েছে। ভোট শেষ হয়ে গেলে আরাবুল আবার ছাড়া পেয়ে যাবে। অন্যদিকে ফুরফুরা শরীফের বর্ষীয়ান পীরজাদা হজরত ইব্রাহিম সিদ্দিকী এক প্রেস বিবৃতিতে ভাঙড় কান্ডের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন,ভাঙড়ের মত মুসলিম প্রধান এলাকায় দীর্ঘদিন অশান্তি হচ্ছেে এটা আসলে পরিকল্পনা মাফিক এই অশান্তিকে জিইয়ে রাখা হয়েছে। সমগ্র রাজ্য জুড়ে দুস্কৃতিরা রাজ করছে। এটা খুবই বেদনার বিষয়।শুধু ভাঙড়ে নয়, সমগ্র রাজ্য জুড়ে নির্বাচনকে ঘিরে যে অশান্তি হচ্ছে,এখনই বন্ধ হওয়া প্রযোজন। তিনিও ভাঙড় কান্ডে সরকারের এবং শাসক তৃণমূল দলের গেমপ্লান আছে বলে অভিযোগ করেছেন। ওয়াকিবহাল মহল বলছেন,বিরোধীদের সঙ্গে তো বটেই,এমনকি বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের অভিযোগের সঙ্গে পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকীর অভিমত এক হওয়ায় আজ না হলেও আগামী দিনে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কে ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


শেয়ার করুন
  • 15
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment