দেশ 

বিপুল জনাদেশের পর শুক্রবার সকালেই রাজনৈতিক গুরু আদবানী-যোশীর আর্শীবাদ নিতে বাসভবনে হাজির মোদী-শাহ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা লালকৃষ্ণ আদবানী ও মুরলীমনোহর যোশীদের তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না । ভোটের প্রচারেও এই বিষয়টি বিরোধীরা হাতিয়ার করেছিল । কিন্ত তা সত্ত্বে বিজেপি দলের বিপুল জয় এসেছে ।

আর গতকাল ফল ঘোষণার পরেই শুক্রবার সকালেই নিজের প্রথম গন্তব্য হিসেবে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা এলকে আদবানী এবং মুরলীমনোহর জোশী বাসভবনকেই বেছে নিলেন ভারতের  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই দুই নেতার সঙ্গে সাতসকালেই বৈঠক করে নিজের কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আর বললেন, ‘গুরুজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ আর তাঁদের আশীর্বাদ নেওয়াটাই ভারতীয় জনতা পার্টির পরম্পরা।’

যে ভাবে এই নির্বাচনের ময়দান থেকে লালকৃষ্ণ আডবাণী এবং মুরলীমনোহর জোশীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন দলের এই দুই অন্যতম বর্ষীয়ান নেতাই। গুজরাতের গাঁধীনগর কেন্দ্রের ছ’বারের সাংসদ লালকৃষ্ণ আডবাণীর জায়গায় প্রার্থী হয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কিন্তু যে পথে এগোচ্ছে তাঁর প্রতিষ্ঠা করা ভারতীয় জনতা পার্টি, তা নিয়ে যে খুশি ছিলেন না আডবাণী, তা নিজের ব্লগে লিখে জানিয়েছিলেন তিনি নিজেই। অন্য দিকে কানপুরে থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া নিয়েও নিজের ক্ষোভ প্রকাশ্যে এনেছিলেন মুরলীমনোহর জোশী।

গত কালের বিরাট জয়ের পরের সকালেই অবশ্য নয়াদিল্লিতে বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লালকৃষ্ণ আডবাণীর বাড়িতে হাজির হন নরেন্দ্র মোদী এবং দলের সভাপতি অমিত শাহ। আডবাণীর বাড়িতে  গিয়ে তাঁর আশীর্বাদ নেন তাঁরা। পরে নিজেই সেই ছবি টুইট করে তিনি বলেন, ‘আডবাণীজির সঙ্গে  কথা বলেছি আমি। বিজেপির আজকের সাফল্য সম্ভব হয়েছে তাঁর মতো মহান ব্যক্তিদের অবদানের জন্যই। দশকের পর দশক ধরে পরিশ্রম করে তাঁরা এই দল তৈরি করেছেন।’

এর পরই তিনি যান আরেক বর্ষীয়ান নেতা মুরলীমনোহর জোশীর বাড়িতে। সেই সাক্ষাতের কথা জানিয়ে টুইট করে তিনি বলেন, ‘ডক্টর মুরলীমনোহর জোশী অত্যন্ত উঁচু মানের জ্ঞানী এবং বিদ্বজ্জন। ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিতে ওঁর অবদান স্মরণীয়। বিজেপিকে শক্তিশালী করতে উনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। অনেক সংগঠককেও উনি নিজে হাতে তৈরি করেছেন, যার মধ্যে পড়ি আমিও।’

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment