দেশ 

‘‘বাপুজিকে অপমান করার জন্য আমি কখনই সাধ্বী প্রজ্ঞাকে ক্ষমা করতে পারব না।’’ : নরেন্দ্র মোদী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : মাহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারীকে দেশপ্রেমিক বলে বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা বিবৃতি দেওয়ার পর  চরম অস্বস্তি বিজেপি । একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছেন । তিনি আজ এক টিভি চ্যানেল সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় বলেন , ‘‘বাপুজিকে অপমান করার জন্য আমি কখনই সাধ্বী প্রজ্ঞাকে ক্ষমা করতে পারব না।’’ মোদীর এই বার্তার আগেই অবশ্য ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার হেগড়ে এবং কর্নাটকের বিজেপি সাংসদ নলিন কুমার কাতিলকে তলব করে তাঁদের কার্যত শো-কজ করেন অমিত শাহ। তিন দিনের মধ্যে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সামনে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলেন বিজেপি সভাপতি।

কয়েকদিন আগে বিতর্ক উস্কে দিয়েছিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার তথা মাকাল নিধি মাইয়াম (এমএনএম) প্রধান কমল হাসন। তিনি বলেছিলেন, দেশের প্রথম সন্ত্রাসবাদী নাথুরাম গডসে। এর পরই বিজেপি নেতা-নেত্রীরা এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে গাঁধী হত্যাকারী গডসের পক্ষে সওয়াল করতে শুরু করেন। এমনকি, গডসের চেয়েও রাজীব গাঁধী বড় ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলেও টুইটারে আক্রমণ শুরু হয়ে যায়। তার মধ্যেই সাধ্বী প্রজ্ঞা কয়েক কদম এগিয়ে গডসেকে ‘দেশভক্ত’ বলে টুইট করে বসেন।

বিজেপি নেতা-নেত্রীরা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কথায় কথায় গাঁধীজির আদর্শের কথা বলেন। ক্ষমতায় আসার পর গাঁধীজির আদর্শেই স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্প চালু করে বিজেপি সরকার। এ হেন গাঁধীজির হত্যাকারীকে দেশভক্ত বলায় বেজায় অস্বস্তিতে পড়েন বিজেপি নেতৃত্ব। তার জেরে শেষ পর্যন্ত সাধ্বী প্রজ্ঞার ওই মন্তব্যের সঙ্গে দলের সম্পর্ক ছিন্ন করে সাধ্বীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেন বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। সাধ্বী ক্ষমাও চেয়ে নেন।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment