দেশ 

কংগ্রেসের পর এবার মায়াবতী মমতা পক্ষে দাঁড়িয়ে কমিশনকে তোপ নির্বাচন কমিশন মোদী-শাহ জুটির বোড়ে হিসেবে কাজ করছে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : শেষ দফার নির্বাচনের তিন দিন আগে শুধু মাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য প্রচারের সময়সীমা কমিয়ে দেওয়ার জন্য তীব্র সমালোচনা করল দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এর আগে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস সরাসরি মমতার পাশে দাঁড়িয়ে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে । কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালার বলেছেন, ‘‘ভারতের সংবিধানের সঙ্গে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছে নির্বাচন কমিশন।’’ একই সঙ্গে কংগ্রেসের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন মোদী-শাহ জুটির বোড়ে হিসেবে কাজ করছে। নির্বাচনী আচরণবিধি বা মডেল কোড অফ কনডাক্টকে কটাক্ষ করে তারা নাম দিয়েছে ‘মোদী কোড অফ কনডাক্ট’

অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে সুর মিলিয়েই নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছে কংগ্রেস । এদিকে বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী কুমারী মায়াবতীও অভিযোগ করেছেন মোদী-শাহ জুটি নির্বাচন কমিশনকে দাবার বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করছে ।

উল্লেখ্য গতকাল রাতেই নির্বাচনী হিংসা রুখতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য জোড়া নির্দেশনামা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নির্দেশিকায় রাজ্যে সপ্তম দফার ভোটে ন’টি কেন্দ্রে প্রচার শেষের সময়সীমা শুক্রবার বিকেল ৫টার পরিবর্তে আজ, বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় এগিয়ে আনা হয়।একই সঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্য এবং রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির প্রধান রাজীব কুমারকে।

সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে প্রচারের সময় ছাঁটার নজির এ রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশের কোথাও আছে কি না তা নিয়েও সন্দিহান অনেকেই। বিষয়টি সামনে আসার পরই নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদী-শাহ জুটির নির্দেশেই এই অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক এবং অনৈতিক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকেও নিজের পাশেই পেলেন তৃণমূলনেত্রী। মোদী-শাহ জুটি পরিকল্পনা করে এই বিপজ্জনক ষড়যন্ত্র করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতী। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘‘নির্বাচন কমিশন রাত দশটা থেকে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল, কারণ তার ঠিক আগেই প্রধানমন্ত্রীর দুটি জনসভা আছে পশ্চিমবঙ্গে। প্রচার নিষিদ্ধ করার হলে সকাল থেকে করা হল না কেন? এই কাজ প্রধানমন্ত্রী সুলভ নয়।’’

এদিকে মায়াবতী, কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে সমর্থন মেলায় টুইট করে কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন মমতা। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সমর্থন করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। বিজেপির নির্দেশে নির্বাচন কমিশনের এই পক্ষপাতমূলক আচরণ ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য একটা কালো দিন।’

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment