জেলা 

দিদি ভদ্রলোকের সংস্কৃতিকে নষ্ট করেছেন। নিজের ছায়াকেই ভয় পাচ্ছেন। কারণ, এবার ওনার মাটি সরে গিয়েছে। ১৯শেই সাফ হয়ে যাবে” : মোদী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : রাজ্যে আজ দুটি সভা ছিল প্রধানমন্ত্রীর । প্রথম সভাটি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অধীন টাকিতে আর এদিন সন্ধ্যায় ছিল ডায়মন্ডহারবারে । দুটি সভা থেকেই মোদী মমতা এবং তাঁর ভাইপো অভিষেককে টার্গেট করেন ।

টাকির সভায় মোদী বলেন,”কাল কালকাতার ছবি দেখেছে গোটা দেশ। বিজেপির ঝড় দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছেন দিদি। ভয় পেয়ে দিদি কোন স্তরে নেমে গিয়েছেন। সেটা দেখতে পারছে গোটা দেশ। দু’দিন আগে মমতা বলেছিলেন, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বদলা নেব। অ্যাজেন্ডা ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অমিত শাহের উপরে হামলা করিয়ে দিলেন। ওনার রোড শোয়ে হামলা করে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন মমতা। হিংসার পর আপনি ও আপনার লোকেরা যে ধরনের রাজনীতি করছেন, সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাই ফাঁস করে দিয়েছেন”।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে রাজ্যের গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করেছেন বলে অভিযোগ করেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন,”গণতন্ত্রের যা হাল করে রেখেছেন মমতা! আপনাকে মানসম্মান দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ দিয়েছে মানুষ। ক্ষমতার নেশায় বুঁদ হয়ে গণতন্ত্রের গলা টিপছেন। ভেবেছেন আপনার গালিতে মোদী ভয় পেয়ে যাবে। আপনি জানেন না ১৩০ কোটি দেশবাসীর আর্শীবাদ আমার মাথায়। দেশের কোটি কোটি মানুষ আমার আত্মীয়। দিদির চোখে এখন দম্ভের পর্দা। দিদি ভদ্রলোকের সংস্কৃতিকে নষ্ট করেছেন। নিজের ছায়াকেই ভয় পাচ্ছেন। কারণ, এবার ওনার মাটি সরে গিয়েছে। ১৯শেই সাফ হয়ে যাবে”।

মোদী আরও বলেন, ”টিএমসির গুন্ডারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের দ্রুত আরোগ্যর কামনা করছি। একইসঙ্গে ভরসা দিচ্ছি, গণতন্ত্রের জন্য আপনাদের এই আত্মত্যাগ ব্যর্থ হবে না। পশ্চিম বাংলায় গণতন্ত্রকে আরও একবার মজবুত করতে আমাদের ইচ্ছাশক্তি, গোটা দেশ দেখছে। দিদির গুন্ডারা গুলি ও বোমা নিয়ে গণতন্ত্রের হত্যা করতে চাইছ”।

এদিন ডায়মন্ডহারবার সভাতে ফের মমতা ও অভিষেককে টার্গেট করেন মোদী । তিনি এদিন বলেন , বুয়া –ভাতিজাকো হারাতে হবে । ডায়মন্ডহারবার আর জয়নগর দুটি আসনই আমাদেরকে জিততে হবে । ডায়মন্ডহারবারের সভায় আরও বেশি আক্রমনাত্মক ছিলেন মোদী ।

একইসঙ্গে আরও একবার বাংলায় নাগরিপঞ্জি চালুর প্রতিশ্রুতিও দেন মোদী। বলেন,”২৩ মে মোদী সরকার আসলে অনুপ্রবেশকারীদের সনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করব। ভারত মাতার জয় যাঁরা বলেন, ভারত যাঁদের একমাত্র আশাভরসার স্থল, তাঁদের জন্য নাগরিকত্বের ব্যবস্থাও আমিই করব। ভারত সরকারের প্রতিটি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন তাঁরা। তাঁর খোঁচা, মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন মমতা। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী মানতে চান না। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর মানেন। কি হাল হয়েছে দিদি আপনার!

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment