প্রচ্ছদ 

মুসলিমদের কাছে রমযান মাস পবিত্র ও বরকতের

শেয়ার করুন
  • 87
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লেখকঃ ডঃ আব্দুল মুজিদ, চেয়ারম্যান- মাওলানা আজাদ অ্যাকাডেমি

আরবি মাসের মধ্যে অন্যতম মাস হল রমাদান মাস। অত্যন্ত পবিত্র ও বরকতের মাস এটি। মুসলিম জাতিকে এই মাস নতুন করে ত্যাগ-তিতিক্ষা দান, ধ্যান, ধৈর্য্য, সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার সবক দেয়। এই মাসকে সামনে রেখে মুসলিম সমাজের মানুষরা তাদের জীবনের শুদ্ধিকরণ করে থাকেন। পবিত্র রমযান মাসে দান, ধ্যানের সঙ্গে মানুষকে ভালো-মন্দ খাওয়ানো, নিজেও খাওয়া কর্তব্য। এছাড়া যাকাত আদায় করা যার উপর অপরিহার্য হয়েছে তাকে যাকাত আদায় করা উচিত বলে মনে করি। সবাইকে মনে রাখতে হবে যে এই বছর যিনি রমযান মাস পাচ্ছেন, আগের আগের বছর তিনি এই মাসটি পাবেন কিনা তা সবসময়ই প্রশ্নচিহ্নের মধ্যেই থেকে যায়। অতএব আমাদের সবসময়ই ধরে নিতে হবে এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান মাস। তাই এই মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে সঠিকভাবে ব্যয় করতে হবে। এই মাসে এবাদত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পবিত্র মাসে আল্লাহ তায়ালার তরফ থেকে বেশি বেশি করে তাঁর বান্দাদের পুরস্কার দেওয়া হয়। আমাদের হিংসা-বিদ্বেষ অস্থিরতা বা অন্যান্য ছোট বড়গুনা থেকে বাঁচার সংকল্প নিতে হবে। বিশেষত, এই মাসে পবিত্রতা রক্ষার জন্য সচেতন হতে হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রতিটি পদক্ষেপে সামনে পা ফেলতে হবে। এই মাসে বিশ্ব উম্মার জন্য দোওয়া করা ও সকলেই যাতে শান্তিতে থাকতে পারে তার জন্য দোওয়া করতে হবে। বিশেষত যারা অর্থবান মানুষ, যার উপর যাকাত প্রযোজ্য, তাদের বলবো তারা যেন যাকাত আদায় করার জন্য উদ্যোগী হয়। এই পবিত্র মাসে যাকাত আদায় করলে অনেক বেশি পুরস্কার পাওয়া যায়। ইয়াতিম, গরীব ও যেখানে শিক্ষার চর্চা হয় সে সব প্রতিষ্ঠানে যাকাতের অর্থ দেওয়া যেতে পারে। অবশ্যই সেইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের মুসলিম হতে হবে। বিত্তবান মানুষদের যাকাতের মাধ্যমে পশ্চিম বাংলার বহু মানুষ দরিদ্র পরিবারের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। তেমনি যাকাত প্রদানের মাধ্যমে দরিদ্র মুসলিম পরিবারের ছেলে মেয়েরাও শিক্ষার আলো বেশি বেশি করে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এই মাসের পবিত্রতা পালনের জন্য সকলকেই আন্তরিক হতে হবে। এবং সেইভাবেই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


শেয়ার করুন
  • 87
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment