কলকাতা 

বেতন কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি হতে চলেছে ? নাকি ভোটের পর বাড়ছে রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের বেতন জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির জন্য গঠিত কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৬ মে  । তাহলে কী এবার বাড়বে রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের বেতন । নাকি আবার মেয়াদ বৃদ্ধি হবে বেতন কমিশনের ?  বাংলার জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী বেতন কমিশনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়তে চলেছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর বলে ওই সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর রাজ্য বেতন কমিশন গঠন করেছিল রাজ্য সরকার । বলা  হয়েছিল এই কমিশন মাত্র ৬ মাসের মধ্যে। তার পর থেকে কয়েক দফায় তাদের মেয়াদ বেড়েছে। গত সাড়ে তিন বছরে কর্মী সংগঠনের ৪৫০টি দাবিপত্রের শুনানি শেষ করে সরকারের ঘরে পাঠিয়েছে কমিশন।

ওই পত্রিকা কমিশনকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে ,  কর্মীদের দাবিদাওয়া শোনার পরে ৫১টি দফতরের বক্তব্য জানার কাজ চলছে। এখনও পর্যন্ত ২৫টি দফতর বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত বক্তব্য পেশ করেছে। সপ্তাহে একটি করে দফতরের শুনানি হওয়ায় বাকি ২৬টি দফতরের বক্তব্য শুনতে আরও অন্তত ছ’মাস লাগতে পারে। এখানেই শেষ নয়, কর্মী সংগঠনের বাইরেও ৯০০ জন দাবিপত্র পেশ করেছেন। সেই সব আবেদনও শুনতে হবে কমিশনকে। এ রাজ্যে বহু সরকারি কর্মীর সংগঠন করা নিষিদ্ধ। যেমন পুলিশকর্মী, যেমন আবগারি দফতরের কর্মী। ওই সব বিভাগের কেউ কেউ ব্যক্তিগত ভাবে আবেদন করেছেন। তার পরে রয়েছে সরকারের অধীন ৭৮টি সংস্থার বেতন বৃদ্ধির শুনানি। সব মিলিয়ে কমিশনের এখন অনেক কাজ বাকি বলে জানান কমিশনের এক কর্তা।

সেই কাজ শেষ করতেই লোকসভা ভোটের পরে বেতন কমিশনের মেয়াদ ফের এক দফা বাড়ানোর ব্যাপারে জল্পনা চলছে নবান্নে। ভোটের মরসুমে রাজনীতির ময়দানেও বেতন কমিশন নিয়ে চর্চা অব্যাহত।

তবে এই নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে রাজ্যের অর্থ দফতর। তবে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের কাছে অর্থ দফতর যে-দাবি জানিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ সালে বর্তমান হারে কর্মীদের বেতন দিতে বছরে ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা খরচ হবে। বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হলে তা বেড়ে হবে ৫২ হাজার ৬৪ কোটি। অর্থ দফতর বেতন কমিশনের কাছে ২০১৯-২০ সালে বেতন বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করায় আশার আলো দেখেছিলেন অনেকেই।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল প্রায় আড়াই বছর পরেই বেতন কমিশন এখনও সুপারিশ রাজ্য সরকারের কাছে জমা করতে পারেনি । তা নিয়ে জোর চর্চা চলছে সরকারি কর্মচারী মহলে ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment