জেলা 

তৃণমূল প্রার্থী নুসরাতের প্রতি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ক্ষোভ কী ভাগ্য ফেরাতে পারবে কংগ্রেস প্রার্থী আবদুর রহিমের ?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি :  বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র ভারতীয় সংসদীয়  রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে চিহ্নিত । এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হুমায়ুন কবীর , ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত, সরদার আমজাদ আলীর মত ব্যক্তিত্বরা । তৃণমূল কংগ্রেস ২০০৯ সালে হাজী নুরুল ইসলামকে প্রার্থী করে প্রথম এই কেন্দ্রটি বামেদের কাছ থেকে কেড়ে নেয় তৃণমূল । এরপর ২০১৪ সালে ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হন আইনজীবী ইদরিস আলী । তিনি জয়লাভ করেন । ২০১৯-এ আবার প্রার্থী পরিবর্তন করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এবার ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেত্রী নুসরাত জাহানকে ।

আর নুসরাতকে প্রার্থী করার পরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে বিভিন্ন মহল থেকে । এই প্রার্থীকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মেনে নেবেন না বলে অনেক আগেই জানিয়ে দিয়েছিল । তারপরে নুসরাত কলকাতার এক টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে যেভাবে মোদীর তালাক বিলকে সমর্থন করেছেন তাতে বিপত্তি দেখা দেয় মুসলিম সমাজে । এরপরেই আসরে হইহই করে নেমে পড়েন অলেমদের একটাংশ । তাঁরা জোরেসরে নুসরাতের বিরুদ্ধে প্রচার করতে থাকেন ।

এমনকি বসিরহাটের মরহুম পীর রহুল আমীনের উত্তরসুরীরাও সরাসরি নুসরাতের বিরোধিতা করে কংগ্রেস প্রার্থী আবদুর রহিমকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন । পানিগোবরার পীর সাহেবও নুসরাতকে ভোট না দিতে অনুরোধ করেছেন ।

এতেই আশার আলো দেখছেন কংগ্রেস প্রার্থী আবদুর রহিম । আবদুর রহিম হলেন বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা আবদুল গাফফার সাহেবের পুত্র । বাদুড়িয়ায় কংগ্রেসের বিধায়ক । এলাকায় পরিচিত মুখ । বসিরহাটের প্রতিটি মানুষকে তাঁকে চেনে গাফফার সাহেবের ছেলে বলে । ভূমিপুত্র তিনি । তুলনায় প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলির কোনো প্রার্থী ভূমিপুত্র নন । কংগ্রেসের প্রার্থী নির্বাচনের কৌশলে অনেকটা এগিয়ে আবদুর রহিম বা দিলু । তবে সাংগঠনিক দূর্বলতার কারণে জয়ের সমূহ সম্ভাবনা থাকলে তাকে ভোট বাক্সে প্রতিফলন ঘটনোয় এখন কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে চ্যালেঞ্জ ।

ছবি : ফেসবুক থেকে সংগৃহীত


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment