দেশ 

প্রধান বিচারপতিকে ক্লিটচিট : বিক্ষোভ নজীরবিহীন বিক্ষোভ সুপ্রিম কোর্টে ; তদন্তের রিপোর্ট দেখতে চাইলেন অভিযোগকারিণী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : নজীরবিহীন বিক্ষোভ দেখা গেল সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে  গতকাল ।  যৌন হেনস্থার অভিযোগ থেকে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে ক্লিন চিট দেওয়া বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ হয় আদালত চত্বরে । বিক্ষোভের রেশ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য তড়িঘড়ি আদালত চত্বরে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা । সেই বেশ কয়েকজন সমাজকর্মী সহ আইনজীবী সহ ৫৫ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ দেখানোর দায়ে ।

যৌন নিগ্রহের অভিযোগ থেকে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগইকে ক্লিনচিট দেওয়াকোর্টের অভ্যন্তরীণ কমিটির কাছে তদন্তের রিপোর্ট চাইলেন অভিযোগকারিণী।তদন্তের রিপোর্টের কোনও কপি তাঁকে দেওয়া হবে না এবং তা প্রকাশ্যেও আনা যাবে না বলে গতকালই জানিয়ে দিয়েছিল তদন্তকারী প্যানেলওই । তার পরেও রিপোর্ট চেয়ে মঙ্গলবার তাদের চিঠি লেখেন ওই মহিলা।

সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন মহিলা কর্মী প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন, তার কোনও সারবত্তা নেই বলে গতকাল গগৈকে ক্লিনচিট দেয় দ্বিতীয় প্রবীণতম বিচারপতি এস এ বোবদে নেতৃত্বাধীন বিচারপতি ইন্দু মলহোত্র ও বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই কমিটি। তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারিণী।

চিঠিতে তিনি লেখিছেন, “ মহামান্য বিচারপতিরা আমার অভিযোগে কোনও সারবত্তা কেন খুঁজে পেলেন না, তা জানার অধিকার আমার রয়েছে। তদন্তের রিপোর্টের উপরও আমার অধিকার আছে। শুধু তাই নয়, কোনও সাক্ষ্য প্রমাণ, কোনও ব্যক্তির বয়ান বা অন্য কোনও প্রমাণের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, তারও একটি কপি দিতে হবে আমাকে।”

প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের হাতে ইতিমধ্যেই রিপোর্টের একটি কপি তুলে দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে সামনে এসেছে। অথচ যাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হল, তাঁকেই কেন রিপোর্ট দিতে আপত্তি, সেই প্রশ্নও তুলেছেন অভিযোগকারিণী ।  তিনি লেখেন, “প্রধান বিচারপতিকে তদন্তের কপি দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি আমি। তাঁকে রিপোর্ট দেওয়া গেলে, আমাকেও দিতে হবে। যিনি যৌন নিগ্রহের অভিযোগ করেছেন, তাঁকেই রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে না। ব্যাপারটা  অদ্ভূত ঠেকছে আমার।”

সোমবার গগই ক্লিনচিট পাওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমার সঙ্গে বিরাট অন্যায় হল। বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা হারানোর মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছি আমি।’’

প্রধানমন্ত্রী বিচারপতির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার মামলায় যেভাবে তাঁকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে । তাছাড়া এটা অভ্যন্তরীণ মামলা বলে তদন্তকারী প্যানেল তাঁদের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে এটা ন্যায় বিচারের দিক থেকে সঠিক নয় বলে আইনজীবীরা মনে করছেন ।

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment