দেশ 

,“আগেও একাধিক বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছে। কিন্তু দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তার রাজনীতিকরণ হয়নি ” : লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডি এস হুডা

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বিজেপি ও মোদী দাবি করেছিলেন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক শুধুমাত্র তাঁদের আমলেই হয়েছে । আর দাবি করার পাশাপাশি তিনি  ইউপিএ জমানাতে যে সার্জিক্যাল ষ্ট্রাইক হয়েছিল বলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং দাবি করেছিলেন তার সপক্ষে ভিডিও দেখানোর দাবি জানিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী । মোদীর এই দাবির বিরুদ্ধে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন কংগ্রেস দল সেনাবাহিনীর অপমান করতে চায় না । আর সেনাকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত চায় না বলেই দেশবাসীকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ভিডিও দেখানো হয়নি । রাহুলের সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন , , ইউপিএ জামানায়  ছ’বার এবং অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলে দু’বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো হয় বলে পাল্টা দাবি করেছে কংগ্রেস। আর এই বক্তব্য জোর বির্তক শুরু হয়েছে। সেই বিতর্কের মধ্যেই মুখ খুলেছেন ডি এস হুডা। তিনি বলেছেন ,“আগেও একাধিক বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছে। কিন্তু দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তার রাজনীতিকরণ হয়নি।”

উল্লেখ্য , মোদী সরকারের আমলে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬তে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডি এস হুডার।

সার্জিক্যাল স্ট্রাইককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা প্রসঙ্গ নিয়ে সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন ,“আগেও একাধিক বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক বা সীমান্ত পেরিয়ে অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনাবাহিনীর প্রাক্তন আধিকারিকদের অনেকেই তা মেনেছেন। কবে, কোথায় অভিযান চালানো হয়েছে, তা নিশ্চিত ভাবে জানা না গেলেও, অভিযান হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে তা প্রকাশ করা হয়নি।”

সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর দাবি করায় সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে কংগ্রেসকে বিদ্রুপ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কোনও ভিডিয়ো গেম নয় বলে কটাক্ষ করেন কংগ্রেস নেতৃত্বকে।

এ ভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের রাজনীতিকরণে তীব্র আপত্তি তুলেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডি এস হুডা। তিনি বলেছেন , “নির্বাচনী প্রচারে সেনাবাহিনীকে টেনে আনা উচিত নয়। জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে জনসাধারণের নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দিই আমরা। রাজনৈতিক দলগুলির এই ধরনের পদক্ষেপে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিষ্ঠানের উপর তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়ে।”

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment