জেলা 

”দলে দু-একজন গদ্দার থাকে। এখানেও একজন গদ্দার ছিল। লোকসভার টিকিট চেয়েছিল। আমি দিইনি। কেন দেব?” অর্জুনকে কটাক্ষ করে কেন বললেন এমন কথা মমতা জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যারাকপুরে নির্বাচনী সভা করেছিলেন ভাটপাড়ায় । আর আজ সেই ভাটপাড়ার জনসভা থেকে নাম করে মুকুল রায় ও অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধেদাগলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অর্জুনের গড়ে দাঁড়িয়ে এদিন মমতা বলেন, “কেউ কেউ এমনও হন যে তাঁদের যতই দাও তাও সাধ মেটে না। এই জেলাতেই এরকম দু’জন আছে। একজন বড়, আরএকজন ছোট৷ ওদের এমপি করতে হবে, এমএলএ করতে হবে, দোকান দিতে হবে, হোটেল দিতে হবে, মল দিতে হবে, পাব দিতে হবে, মকান দিতে হবে, গার্ডেন দিতে হবে, বাজার দিতে হবে। সব চাই ওদের। আমি এত কিছু কী ভাবে দেব? দিতে দিতে খালি হয়ে গেছি।”

এরপরই তিনি বলেন, কেউ ওদের দিয়ে খুশি করতে পারবে না। তা ছাড়া নেওয়ার তো একটা ক্ষমতা থাকে মানুষের। কিন্তু তা না ওদের শুধু চাই চাই চাই। সব একলাই খেয়ে নেবে! বাকিরা কী অপরাধ করেছে! মমতা বলেন, ”দলে দু-একজন গদ্দার থাকে। এখানেও একজন গদ্দার ছিল। লোকসভার টিকিট চেয়েছিল। আমি দিইনি। কেন দেব? খালি গুণ্ডাগিরি করবে, কোনও উন্নয়নের কাজই করবে না। আর ভোটের সময় টিকিট চাইবে, এটা আমাদের দলে চলবে না”

অর্জুনের নাম না করে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেন, গুন্ডা-গদ্দারি চলবে না। ভোটে তো হারবে। তার পর কী করবে? আমরা তো ক্ষমতাতেই থাকব। ভাটপাড়া অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক অশান্তির পরিবেশ যাতে তৈরি না করা হয় সে জন্যও সতর্ক করেন তৃণমূলনেত্রী। অর্জুন ও তাঁর ছেলে পবনকে হারাতে হবে, দুজন যতদিন তৃণমূলে  ছিলেন ততদিন ভাটপাড়া, নোয়াপাড়া, ব্যারাকপুরে তাঁর রাজ চলত। তৃণমূলের অনেক নেতা তাঁর দাপটে বিশেষ সুবিধে করতে পারতেন না৷ফলে তাদের মধ্যে অনেকেই নিজের গুটিয়ে রেখেছিলেন৷ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এদিনের জনসভা থেকে সেইসব নেতাদের অনেকটাই আশ্বাস দিয়ে রাখলেন মমতা৷ যাতে ভোটের কাজে তেড়েফুঁড়ে নেমে তাঁরা অর্জুনকে হারায়৷ জনকেই পরাজিত করার ডাক দেন তিনি৷

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment